ফেনী-৩ আসনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী এবং বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টুর প্রার্থিতা বহাল রেখেছে নির্বাচন কমিশন। দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগ এনে তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী প্রার্থিতা বাতিলের আবেদন করেছিলেন। তবে, নির্বাচন কমিশনের আপিল শুনানিতে সেই আবেদন খারিজ হয়ে যাওয়ায় তার প্রার্থিতা বৈধতা পেয়েছে।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় নির্বাচন কমিশনের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত আপিল শুনানিতে এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়। এর প্রতিক্রিয়ায় আবদুল আউয়াল মিন্টু এক ফেসবুক পোস্টে তার উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, “আলহামদুলিল্লাহ, মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে আমার মনোনয়নের বিরুদ্ধে আনা ভিত্তিহীন ও হয়রানিমূলক আপিল খারিজ করেছে নির্বাচন কমিশন।”
তিনি আরও বলেন, “আমার প্রতিপক্ষরা সময়ের সাথে সাথে বিভিন্ন অভিযোগ উত্থাপন করেছেন এবং পরবর্তীতে নির্বাচন কমিশনে এই আপিল করে আমাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিলেন। আমি শুধু এটুকুই বলতে পারি, ১৯৮১ সালে বাংলাদেশে ফিরে আসার পর থেকে আজ পর্যন্ত সকল শাসনামলের মধ্য দিয়ে অত্যন্ত মর্যাদা ও স্বচ্ছতার সাথে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছি। মানুষের সেবায় নিয়োজিত ছিলাম। আমি এই দেশের নাগরিক না হয়ে কোথায় যাব? এই মাটির ওপর আমার অধিকার থাকবে না কেন?”
ভোটের মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য দৃঢ় প্রত্যয়ী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, “আমি সর্বদা আমার দেশের মানুষের ওপর বিশ্বাস এবং আল্লাহর ওপর আস্থা রেখেছি, আর সেই কারণেই আজ এই নির্বাচনী লড়াইয়ে এই বৈধতা প্রমাণিত হয়েছে। আপনাদের অকৃত্রিম সমর্থন ও ভালোবাসার জন্য আমি আবারও সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।” তিনি যোগ করেন, “আমার প্রতিপক্ষ আবারও আমাকে সাহায্য করলেন এটা প্রমাণ করতে যে সত্যের জয় হবেই। ভোটের মাঠে দেখা হবে, ইনশাআল্লাহ।”
উল্লেখ্য, ফেনী-৩ আসনে জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন মানিক আবদুল আউয়াল মিন্টুর দ্বৈত নাগরিকত্বের বিষয়টি উত্থাপন করে তার মনোনয়নপত্র বাতিলের আবেদন করেছিলেন। তবে, নির্বাচন কমিশন শুনানির পর এই অভিযোগ আমলে না নিয়ে তার প্রার্থিতা বহাল রেখেছে।
রিপোর্টারের নাম 
























