মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সঙ্গে চলমান সামরিক উত্তেজনা ও পারমাণবিক কর্মসূচির উদ্বেগজনক পরিস্থিতির মধ্যেই সৌদি আরব ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরমাণু সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন এই চুক্তিকে ‘শান্তিপূর্ণ পরমাণু সহযোগিতা চুক্তি’ হিসেবে অভিহিত করেছে, যা উভয় দেশের মধ্যেকার বহুমুখী অংশীদারত্বকে আরও জোরদার করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এই চুক্তির অধীনে, মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলো সৌদি আরবে পারমাণবিক প্রযুক্তি রপ্তানি, প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো নির্মাণ এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির সুযোগ পাবে। সৌদি আরব, যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের মিত্র হিসেবে, তাদের জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে দীর্ঘদিন ধরে এই ধরনের পারমাণবিক সমঝোতার প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছিল। ট্রাম্প প্রশাসন জোর দিয়ে বলেছে যে এই পদক্ষেপের মাধ্যমে বিশ্ব বেসামরিক পারমাণবিক বাজারে যুক্তরাষ্ট্রের প্রাধান্য নতুন করে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
উভয় দেশই দাবি করেছে যে এই চুক্তি পারমাণবিক নিরাপত্তা এবং পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ নীতি বজায় রেখে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও গভীর করবে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ইরানে সামরিক অভিযান জোরদার করার এই উত্তপ্ত সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের এই চুক্তি স্বাক্ষর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে মধ্যপ্রাচ্যে, বিশেষ করে ইরানের সম্ভাব্য পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি রোধ করার অংশ হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, জো বাইডেনের পূর্ববর্তী প্রশাসনও সৌদি আরবের সাথে একই ধরনের একটি চুক্তির কাছাকাছি পৌঁছেছিল। তবে সেই চুক্তির একটি পূর্বশর্ত ছিল ইসরাইলের সঙ্গে সৌদি আরবের সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণ। বর্তমান চুক্তিতে এই শর্তের কোনো উল্লেখ নেই। উভয় দেশই এই চুক্তিকে মধ্যপ্রাচ্যে পারমাণবিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখছে।
রিপোর্টারের নাম 






















