একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিরপেক্ষতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলটির অভিযোগ, কমিশন বিএনপির প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করছে, যা সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করছে। এই পরিস্থিতিতে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা উচিত কিনা, তা তারা নতুন করে বিবেচনা করছে।
রোববার রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির মুখপাত্র ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ এ কথা জানান। তিনি বলেন, দ্বৈত নাগরিকত্ব এবং ঋণ খেলাপি প্রার্থীদের মনোনয়নের বৈধতা প্রদানসহ বিভিন্ন ইস্যুতে নির্বাচন কমিশন বিএনপির পক্ষ নিয়েছে।
আসিফ মাহমুদ স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে আমরা জাতীয় নাগরিক পার্টি এই নির্বাচন কমিশনের ওপর কোনো আস্থা পাচ্ছি না। এই পরিস্থিতিতে এসে আমরা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবো কিনা, তা পুনর্বিবেচনা করার সময় এসেছে বলে আমরা মনে করছি।” তিনি আরও জানান, এই বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো নেওয়া হয়নি, তবে দল ঐক্যবদ্ধভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।
এনসিপির মুখপাত্র আরও উল্লেখ করেন যে, তাদের ১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য বিদ্যমান। এই ঐক্যের সকল দলের সঙ্গে আলোচনা করে নির্বাচনের বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানানো হবে। এছাড়াও, তিনি জানান যে, সকলের সঙ্গে পরামর্শ করে প্রয়োজনে রাজপথে নামার প্রস্তুতিও গ্রহণ করা হবে।
আসিফ মাহমুদ অভিযোগ করেন, রোববার নির্বাচন কমিশনে প্রার্থীদের বৈধতা নিয়ে আপিল শুনানির মধ্যেই নির্বাচন কমিশনাররা বিএনপি নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এর পরেই তারা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) এবং সংবিধানবিরোধী রায় দিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি মনিরা শারমিন এবং নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আইনি সহায়তা বিষয়ক উপকমিটির প্রধান জহিরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 

























