ঢাকা ০৬:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সরকারি চাকরিতে কোটার দাবিতে রাজু ভাস্কর্যে প্রতিবন্ধী গ্র্যাজুয়েটদের অবস্থান

সরকারি চাকরিতে কোটাসহ পাঁচ দফা দাবি নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন চাকরিপ্রত্যাশী প্রতিবন্ধী গ্র্যাজুয়েটরা। ‘চাকরিপ্রত্যাশী প্রতিবন্ধী গ্র্যাজুয়েট পরিষদ’ এর ব্যানারে গত ১৯ অক্টোবর থেকে প্রায় ৬০ জন এই কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন।

তাঁদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির চাকরিতে ২ শতাংশ এবং তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির চাকরিতে ৫ শতাংশ স্বতন্ত্র প্রতিবন্ধী কোটা। এছাড়া অন্যান্য দাবির মধ্যে আছে—বিশেষ নিয়োগের জন্য নির্বাহী আদেশ জারি, বর্তমান শ্রুতলেখক নীতিমালা সংশোধন, পিএইচটি সেন্টারের শূন্য পদগুলোতে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী প্রার্থীদের বিশেষ নিয়োগ এবং চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ বছর করা।

আন্দোলনকারীদের একজন আলিফ হোসাইন প্রথম আলোকে বলেছেন, ‘২০১৮ সালে কোটা বাতিল হওয়ার পর থেকেই আমরা আন্দোলন করে আসছি। আমরা আগের সরকারের আমলেও বৈষম্যের শিকার হয়েছি, এখনো হচ্ছি। গত পাঁচ দিন ধরে এখানে রোদে পুড়ছি, কিন্তু কেউ আমাদের কোনো খোঁজও নেয়নি।’

আরেকজন আন্দোলনকারী মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘আমরা সমাজকল্যাণ উপদেষ্টার সঙ্গে দেখা করেছি, কিন্তু তিনি সমাধানের কোনো আশ্বাস দেননি। আমরা বেশ কয়েকবার সচিবালয়ে স্মারকলিপিও দিয়েছি। দেশে এতগুলো সংস্কার কমিশন হলো, অথচ প্রতিবন্ধীদের জন্য কোনো কমিশনই হলো না।’

গত ১৯ অক্টোবর তাঁরা উপদেষ্টার কার্যালয়ের দিকে যেতে চেয়েছিলেন, কিন্তু পুলিশ বাধা দিলে তাঁরা সেখান থেকে সরে আসতে বাধ্য হন। এরপর থেকেই তাঁরা রাজু ভাস্কর্যের সামনে টানা অবস্থান কর্মসূচি পালন করে যাচ্ছেন।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত ইফতার মাহফিলে যোগদান

সরকারি চাকরিতে কোটার দাবিতে রাজু ভাস্কর্যে প্রতিবন্ধী গ্র্যাজুয়েটদের অবস্থান

আপডেট সময় : ০৬:২৯:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৫

সরকারি চাকরিতে কোটাসহ পাঁচ দফা দাবি নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন চাকরিপ্রত্যাশী প্রতিবন্ধী গ্র্যাজুয়েটরা। ‘চাকরিপ্রত্যাশী প্রতিবন্ধী গ্র্যাজুয়েট পরিষদ’ এর ব্যানারে গত ১৯ অক্টোবর থেকে প্রায় ৬০ জন এই কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন।

তাঁদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির চাকরিতে ২ শতাংশ এবং তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির চাকরিতে ৫ শতাংশ স্বতন্ত্র প্রতিবন্ধী কোটা। এছাড়া অন্যান্য দাবির মধ্যে আছে—বিশেষ নিয়োগের জন্য নির্বাহী আদেশ জারি, বর্তমান শ্রুতলেখক নীতিমালা সংশোধন, পিএইচটি সেন্টারের শূন্য পদগুলোতে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী প্রার্থীদের বিশেষ নিয়োগ এবং চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ বছর করা।

আন্দোলনকারীদের একজন আলিফ হোসাইন প্রথম আলোকে বলেছেন, ‘২০১৮ সালে কোটা বাতিল হওয়ার পর থেকেই আমরা আন্দোলন করে আসছি। আমরা আগের সরকারের আমলেও বৈষম্যের শিকার হয়েছি, এখনো হচ্ছি। গত পাঁচ দিন ধরে এখানে রোদে পুড়ছি, কিন্তু কেউ আমাদের কোনো খোঁজও নেয়নি।’

আরেকজন আন্দোলনকারী মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘আমরা সমাজকল্যাণ উপদেষ্টার সঙ্গে দেখা করেছি, কিন্তু তিনি সমাধানের কোনো আশ্বাস দেননি। আমরা বেশ কয়েকবার সচিবালয়ে স্মারকলিপিও দিয়েছি। দেশে এতগুলো সংস্কার কমিশন হলো, অথচ প্রতিবন্ধীদের জন্য কোনো কমিশনই হলো না।’

গত ১৯ অক্টোবর তাঁরা উপদেষ্টার কার্যালয়ের দিকে যেতে চেয়েছিলেন, কিন্তু পুলিশ বাধা দিলে তাঁরা সেখান থেকে সরে আসতে বাধ্য হন। এরপর থেকেই তাঁরা রাজু ভাস্কর্যের সামনে টানা অবস্থান কর্মসূচি পালন করে যাচ্ছেন।