ঢাকা ১১:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

বৈষম্যহীন সমাজ ও নিরাপদ ঢাকা গড়ার অঙ্গীকার ইশরাক হোসেনের

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৪৩:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৯ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা-৬ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন বলেছেন, ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজন নয়, বরং মানুষ হিসেবে প্রতিটি নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করাই তার রাজনীতির মূল দর্শন। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) রাজধানীর গোপীবাগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন।

নিজের শৈশবের স্মৃতিচারণ করে ইশরাক হোসেন বলেন, গোপীবাগে বেড়ে ওঠার সময় তিনি সব ধর্মের মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি দেখেছেন। কোনো ধর্মকে ছোট বা বড় করে দেখার শিক্ষা তিনি পাননি। মানুষ হিসেবে এবং রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে সবাই যেন সমান মর্যাদা নিয়ে বসবাস করতে পারে, সেই লক্ষ্য নিয়েই তিনি কাজ করে যাচ্ছেন।

আইনশৃঙ্খলার উন্নয়ন ও জনদুর্ভোগ লাঘবের বিষয়ে ইশরাক হোসেন বলেন, অতীতে কোনো প্রশাসনিক বা সাংগঠনিক দায়িত্বে না থাকায় অনেক বিষয় তার আওতার বাইরে ছিল। তবে ভবিষ্যতে সুযোগ পেলে ফুটপাত দখল, চাঁদাবাজি ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, বিএনপি বা অন্য কোনো দলের নাম ব্যবহার করে কেউ যদি অনিয়ম বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়, তবে তাকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না।

এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি জানান, নারী, শিশু ও বয়স্কসহ প্রতিটি নাগরিকের জন্য একটি নিরাপদ জনপদ গড়ে তোলা হবে। দিন কিংবা রাত—যেকোনো সময় মানুষ যেন নির্ভয়ে চলাচল করতে পারে, তা নিশ্চিত করা হবে।

আসন্ন নির্বাচন প্রসঙ্গে ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন বলেন, একটি স্বচ্ছ, সুষ্ঠু ও আনন্দময় পরিবেশে ভোট গ্রহণের প্রত্যাশা করছেন তিনি। দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের অংশ হিসেবে প্রতি পাঁচ বছর অন্তর নিয়মিত নির্বাচনের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন তিনি। নির্বাচনে জয়-পরাজয় যাই হোক না কেন, জনগণের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

উপস্থিত সুধীজনের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “আমি কেবল ভোট চাইতে আসিনি, বরং আপনাদের একজন হয়ে আপনাদের সমস্যাগুলো শুনতে এবং মতবিনিময় করতে এসেছি।” ভবিষ্যতে নিয়মিতভাবে এলাকাবাসীর ছোট-বড় সব সমস্যার সমাধানে পাশে থাকার এবং আমৃত্যু জনগণের কল্যাণে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন ইশরাক হোসেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যুবদল নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, আতঙ্কে বাড়ি ছাড়লেন গৃহবধূ

বৈষম্যহীন সমাজ ও নিরাপদ ঢাকা গড়ার অঙ্গীকার ইশরাক হোসেনের

আপডেট সময় : ১২:৪৩:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

ঢাকা-৬ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন বলেছেন, ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজন নয়, বরং মানুষ হিসেবে প্রতিটি নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করাই তার রাজনীতির মূল দর্শন। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) রাজধানীর গোপীবাগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন।

নিজের শৈশবের স্মৃতিচারণ করে ইশরাক হোসেন বলেন, গোপীবাগে বেড়ে ওঠার সময় তিনি সব ধর্মের মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি দেখেছেন। কোনো ধর্মকে ছোট বা বড় করে দেখার শিক্ষা তিনি পাননি। মানুষ হিসেবে এবং রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে সবাই যেন সমান মর্যাদা নিয়ে বসবাস করতে পারে, সেই লক্ষ্য নিয়েই তিনি কাজ করে যাচ্ছেন।

আইনশৃঙ্খলার উন্নয়ন ও জনদুর্ভোগ লাঘবের বিষয়ে ইশরাক হোসেন বলেন, অতীতে কোনো প্রশাসনিক বা সাংগঠনিক দায়িত্বে না থাকায় অনেক বিষয় তার আওতার বাইরে ছিল। তবে ভবিষ্যতে সুযোগ পেলে ফুটপাত দখল, চাঁদাবাজি ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, বিএনপি বা অন্য কোনো দলের নাম ব্যবহার করে কেউ যদি অনিয়ম বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়, তবে তাকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না।

এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি জানান, নারী, শিশু ও বয়স্কসহ প্রতিটি নাগরিকের জন্য একটি নিরাপদ জনপদ গড়ে তোলা হবে। দিন কিংবা রাত—যেকোনো সময় মানুষ যেন নির্ভয়ে চলাচল করতে পারে, তা নিশ্চিত করা হবে।

আসন্ন নির্বাচন প্রসঙ্গে ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন বলেন, একটি স্বচ্ছ, সুষ্ঠু ও আনন্দময় পরিবেশে ভোট গ্রহণের প্রত্যাশা করছেন তিনি। দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের অংশ হিসেবে প্রতি পাঁচ বছর অন্তর নিয়মিত নির্বাচনের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন তিনি। নির্বাচনে জয়-পরাজয় যাই হোক না কেন, জনগণের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

উপস্থিত সুধীজনের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “আমি কেবল ভোট চাইতে আসিনি, বরং আপনাদের একজন হয়ে আপনাদের সমস্যাগুলো শুনতে এবং মতবিনিময় করতে এসেছি।” ভবিষ্যতে নিয়মিতভাবে এলাকাবাসীর ছোট-বড় সব সমস্যার সমাধানে পাশে থাকার এবং আমৃত্যু জনগণের কল্যাণে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন ইশরাক হোসেন।