তীব্র শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে চুয়াডাঙ্গা। শুক্রবার সকাল ৯টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। হিমেল বাতাস আর ঘন কুয়াশার কারণে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। রাত থেকে সকাল পর্যন্ত তীব্র শীত অনুভূত হলেও দিনের বেলায় সূর্যের দেখা মিলছে, তবে তাতে শীতের দাপট কমছে না।
চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, শুক্রবার সকাল ৯টায় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৮৬ শতাংশ। এর আগে বৃহস্পতিবার জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। চলতি শীত মৌসুমে গত ১১ নভেম্বর থেকে এ জেলায় তাপমাত্রা কমতে শুরু করে। গত ৫৮ দিন ধরে জেলার তাপমাত্রা ১৬ ডিগ্রি থেকে ৬ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত ওঠানামা করছে।
তীব্র শীতের কারণে দৈনন্দিন কাজে ভোগান্তি পোহাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে খেটে খাওয়া মানুষ ও কৃষকরা চরম বিপাকে পড়েছেন। প্রচণ্ড ঠাণ্ডায় কাজে যেতে পারছেন না অনেকে।
চুয়াডাঙ্গা শহরের নতুন বাজারের নৈশপ্রহরী আবেদ আলি জানান, “প্রচণ্ড শীতে রাতে পাহারা দেওয়া খুবই কঠিন হয়ে পড়েছে। সারারাত প্রতিটি দোকানে নজর রাখতে হয়, কিন্তু শীতের কারণে বাজারে ঘোরাঘুরি করতে অনেক কষ্ট হচ্ছে।”
একইভাবে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বোয়ালমারী গ্রামের কৃষক হায়দার আলী বলেন, “অতিরিক্ত শীতের কারণে বোরোক্ষেতে কাজ করতে অসুবিধা হচ্ছে। সকালে ঘন কুয়াশা ও ঠাণ্ডার কারণে মাঠে নামতেই কষ্ট হয়।”
রিপোর্টারের নাম 























