ঢাকা ১১:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

দক্ষিণ এশিয়ায় বিশ্বমানের উচ্চশিক্ষা নিশ্চিতে ঐক্যবদ্ধ ‘ঢাকা ঘোষণা’

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলে একটি স্থিতিশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং আধুনিক উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে ‘ঢাকা ঘোষণা’ গৃহীত হয়েছে। বৈশ্বিকভাবে গ্রহণযোগ্য ও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে এই অঞ্চলের দেশগুলো সম্মিলিতভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে। বৃহস্পতিবার রাজধানীতে অনুষ্ঠিত ‘দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক উচ্চশিক্ষার বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা’ শীর্ষক চার দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলনের সমাপনী দিনে এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণাটি গৃহীত হয়।

গৃহীত ঘোষণাপত্রে উচ্চশিক্ষার অর্থবহ ও টেকসই পরিবর্তনের জন্য ধারাবাহিক রাজনৈতিক অঙ্গীকার, শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক নেতৃত্ব এবং কার্যকর আঞ্চলিক সহযোগিতার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এছাড়া লক্ষ্য অর্জনে সকল অংশীজনের সম্মিলিত উদ্যোগকে অপরিহার্য উপাদান হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

সম্মেলনের শেষ দিনে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তানজীমউদ্দিন খান ঘোষণাপত্রটি পাঠ করে শোনান। উপস্থিত অংশগ্রহণকারীদের কোনো দ্বিমত না থাকায় এটি সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদিত হয়।

অনুষ্ঠানে ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এস এম এ ফায়েজসহ কমিশনের সদস্যবৃন্দ এবং দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের উচ্চশিক্ষা সংশ্লিষ্ট শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে ছিলেন পাকিস্তান হায়ার এডুকেশন কমিশনের নির্বাহী পরিচালক প্রফেসর ড. জিয়া উল হক, শ্রীলঙ্কা ইউনিভার্সিটি গ্রান্টস কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান সিনিয়র প্রফেসর কে এল ওয়াসান্থা কুমারা এবং মালদ্বীপ কোয়ালিফিকেশন্স অথরিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মারিয়াম ফিজানা রাশীদ।

এছাড়া নেপাল ইউজিসির সদস্য সচিব প্রফেসর ড. জ্ঞান বাহাদুর থাপা, পাকিস্তানের এসএবিএস বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. আরবেলা ভুট্টো, বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র এডুকেশন স্পেশালিস্ট টি এম আসাদুজ্জামান এবং হিটের প্রকল্প পরিচালক প্রফেসর ড. আসাদুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা সম্মেলনে অংশ নেন। বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, এই ‘ঢাকা ঘোষণা’র বাস্তবায়ন দক্ষিণ এশিয়ার উচ্চশিক্ষা খাতে এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন করবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের সেনা প্রত্যাহারের হুমকির মুখেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মৈত্রীর বার্তা জার্মান চ্যান্সেলরের

দক্ষিণ এশিয়ায় বিশ্বমানের উচ্চশিক্ষা নিশ্চিতে ঐক্যবদ্ধ ‘ঢাকা ঘোষণা’

আপডেট সময় : ০৯:৫৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলে একটি স্থিতিশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং আধুনিক উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে ‘ঢাকা ঘোষণা’ গৃহীত হয়েছে। বৈশ্বিকভাবে গ্রহণযোগ্য ও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে এই অঞ্চলের দেশগুলো সম্মিলিতভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে। বৃহস্পতিবার রাজধানীতে অনুষ্ঠিত ‘দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক উচ্চশিক্ষার বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা’ শীর্ষক চার দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলনের সমাপনী দিনে এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণাটি গৃহীত হয়।

গৃহীত ঘোষণাপত্রে উচ্চশিক্ষার অর্থবহ ও টেকসই পরিবর্তনের জন্য ধারাবাহিক রাজনৈতিক অঙ্গীকার, শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক নেতৃত্ব এবং কার্যকর আঞ্চলিক সহযোগিতার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এছাড়া লক্ষ্য অর্জনে সকল অংশীজনের সম্মিলিত উদ্যোগকে অপরিহার্য উপাদান হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

সম্মেলনের শেষ দিনে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তানজীমউদ্দিন খান ঘোষণাপত্রটি পাঠ করে শোনান। উপস্থিত অংশগ্রহণকারীদের কোনো দ্বিমত না থাকায় এটি সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদিত হয়।

অনুষ্ঠানে ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এস এম এ ফায়েজসহ কমিশনের সদস্যবৃন্দ এবং দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের উচ্চশিক্ষা সংশ্লিষ্ট শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে ছিলেন পাকিস্তান হায়ার এডুকেশন কমিশনের নির্বাহী পরিচালক প্রফেসর ড. জিয়া উল হক, শ্রীলঙ্কা ইউনিভার্সিটি গ্রান্টস কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান সিনিয়র প্রফেসর কে এল ওয়াসান্থা কুমারা এবং মালদ্বীপ কোয়ালিফিকেশন্স অথরিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মারিয়াম ফিজানা রাশীদ।

এছাড়া নেপাল ইউজিসির সদস্য সচিব প্রফেসর ড. জ্ঞান বাহাদুর থাপা, পাকিস্তানের এসএবিএস বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. আরবেলা ভুট্টো, বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র এডুকেশন স্পেশালিস্ট টি এম আসাদুজ্জামান এবং হিটের প্রকল্প পরিচালক প্রফেসর ড. আসাদুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা সম্মেলনে অংশ নেন। বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, এই ‘ঢাকা ঘোষণা’র বাস্তবায়ন দক্ষিণ এশিয়ার উচ্চশিক্ষা খাতে এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন করবে।