ঢাকা ১১:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

ইরান যুদ্ধে কয়েক বিলিয়ন ডলারের আর্থিক ক্ষতির মুখে মার্কিন সামরিক বাহিনী

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:১৬:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

চলমান ইরান যুদ্ধে মার্কিন সামরিক বাহিনী বড় ধরনের আর্থিক ও কৌশলগত ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা সংস্থা ‘সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ’ (সিএসআইএস) এর এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, যুদ্ধে এ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ২.৩ থেকে ২.৮ বিলিয়ন ডলার সমমূল্যের সমরাস্ত্র ও সরঞ্জাম ধ্বংস হয়েছে। আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের একটি অত্যন্ত মূল্যবান ‘ই-৩ আওয়াকস’ রাডার বিমান ধ্বংস হয়েছে, যার বাজারমূল্য প্রায় ৭০ কোটি ডলার। এছাড়া একটি অত্যাধুনিক থাড ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা রাডার এবং কুয়েতে ভুলবশত নিজেদের হামলায় তিনটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনাও এই তালিকায় রয়েছে। সিএসআইএস-এর জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা মার্ক ক্যানসিয়ান এই ক্ষয়ক্ষতির হিসাবটি তৈরি করেছেন।

নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন প্রশাসন আসন্ন নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে এই ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত তথ্য আড়াল করার চেষ্টা করছে। পেন্টাগনের অনুরোধে মার্কিন ঘাঁটির স্যাটেলাইট ছবি সাধারণের জন্য বন্ধ রাখা হলেও ইরানি স্যাটেলাইট থেকে প্রাপ্ত ছবিতে ক্ষয়ক্ষতির স্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যুদ্ধের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের পর্যাপ্ত প্রস্তুতি না থাকায় কৌশলগতভাবে তারা বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের সেনা প্রত্যাহারের হুমকির মুখেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মৈত্রীর বার্তা জার্মান চ্যান্সেলরের

ইরান যুদ্ধে কয়েক বিলিয়ন ডলারের আর্থিক ক্ষতির মুখে মার্কিন সামরিক বাহিনী

আপডেট সময় : ১১:১৬:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

চলমান ইরান যুদ্ধে মার্কিন সামরিক বাহিনী বড় ধরনের আর্থিক ও কৌশলগত ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা সংস্থা ‘সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ’ (সিএসআইএস) এর এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, যুদ্ধে এ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ২.৩ থেকে ২.৮ বিলিয়ন ডলার সমমূল্যের সমরাস্ত্র ও সরঞ্জাম ধ্বংস হয়েছে। আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের একটি অত্যন্ত মূল্যবান ‘ই-৩ আওয়াকস’ রাডার বিমান ধ্বংস হয়েছে, যার বাজারমূল্য প্রায় ৭০ কোটি ডলার। এছাড়া একটি অত্যাধুনিক থাড ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা রাডার এবং কুয়েতে ভুলবশত নিজেদের হামলায় তিনটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনাও এই তালিকায় রয়েছে। সিএসআইএস-এর জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা মার্ক ক্যানসিয়ান এই ক্ষয়ক্ষতির হিসাবটি তৈরি করেছেন।

নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন প্রশাসন আসন্ন নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে এই ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত তথ্য আড়াল করার চেষ্টা করছে। পেন্টাগনের অনুরোধে মার্কিন ঘাঁটির স্যাটেলাইট ছবি সাধারণের জন্য বন্ধ রাখা হলেও ইরানি স্যাটেলাইট থেকে প্রাপ্ত ছবিতে ক্ষয়ক্ষতির স্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যুদ্ধের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের পর্যাপ্ত প্রস্তুতি না থাকায় কৌশলগতভাবে তারা বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।