ঢাকা ১১:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

মাঠ পর্যায়ের নিরাপত্তা জোরদারে ইসির বড় পদক্ষেপ: নিয়োগ পাচ্ছেন ২৭৫৪ আনসার সদস্য

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৬:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে মাঠ পর্যায়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিছিদ্র করতে বড় ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। দেশের ৪৫৯টি উপজেলা ও থানা নির্বাচন কার্যালয়ের সার্বিক সুরক্ষা নিশ্চিতে মোট ২ হাজার ৭৫৪ জন আনসার সদস্য নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশন সূত্রে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ইসি সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনকালীন সময়ে অত্যন্ত সংবেদনশীল নির্বাচনি সরঞ্জাম, নথিপত্র এবং মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এই জনবল নিয়োগের প্রধান লক্ষ্য। সম্প্রতি দেশের কয়েকটি স্থানে নির্বাচন কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ ও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের প্রেক্ষিতে এই বাড়তি সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয় এই জনবল নিয়োগ বা সেবা ক্রয়ের বিষয়ে সম্মতি জানিয়ে কমিশনকে চিঠি পাঠিয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের চিঠির তথ্য অনুযায়ী, ‘আউটসোর্সিং প্রক্রিয়ায় সেবাগ্রহণ নীতিমালা, ২০২৫’ অনুসরণ করে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত মোট তিন মাসের জন্য এই আনসার সদস্যরা নিয়োজিত থাকবেন। নির্ধারিত ৪৫৯টি উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিসের প্রতিটিতে ৬ জন করে সদস্য মোতায়েন করা হবে, যারা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবেন।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। বর্তমানে নির্বাচন কমিশনে প্রার্থীদের আপিল শুনানির কার্যক্রম চলছে, যা আগামী ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। এরপর ২০ জানুয়ারি প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় এবং ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। প্রতীক পাওয়ার পর ২২ জানুয়ারি থেকে প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করতে পারবেন, যা ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত চলবে।

নির্বাচন কমিশন সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বিপুল সংখ্যক এই নিরাপত্তা সদস্য মোতায়েনের ফলে মাঠ পর্যায়ের কার্যালয়গুলোর সুরক্ষা নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি একটি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের পরিবেশ বজায় রাখা সহজ হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের সেনা প্রত্যাহারের হুমকির মুখেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মৈত্রীর বার্তা জার্মান চ্যান্সেলরের

মাঠ পর্যায়ের নিরাপত্তা জোরদারে ইসির বড় পদক্ষেপ: নিয়োগ পাচ্ছেন ২৭৫৪ আনসার সদস্য

আপডেট সময় : ০৯:৫৬:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে মাঠ পর্যায়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিছিদ্র করতে বড় ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। দেশের ৪৫৯টি উপজেলা ও থানা নির্বাচন কার্যালয়ের সার্বিক সুরক্ষা নিশ্চিতে মোট ২ হাজার ৭৫৪ জন আনসার সদস্য নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশন সূত্রে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ইসি সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনকালীন সময়ে অত্যন্ত সংবেদনশীল নির্বাচনি সরঞ্জাম, নথিপত্র এবং মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এই জনবল নিয়োগের প্রধান লক্ষ্য। সম্প্রতি দেশের কয়েকটি স্থানে নির্বাচন কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ ও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের প্রেক্ষিতে এই বাড়তি সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয় এই জনবল নিয়োগ বা সেবা ক্রয়ের বিষয়ে সম্মতি জানিয়ে কমিশনকে চিঠি পাঠিয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের চিঠির তথ্য অনুযায়ী, ‘আউটসোর্সিং প্রক্রিয়ায় সেবাগ্রহণ নীতিমালা, ২০২৫’ অনুসরণ করে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত মোট তিন মাসের জন্য এই আনসার সদস্যরা নিয়োজিত থাকবেন। নির্ধারিত ৪৫৯টি উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিসের প্রতিটিতে ৬ জন করে সদস্য মোতায়েন করা হবে, যারা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবেন।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। বর্তমানে নির্বাচন কমিশনে প্রার্থীদের আপিল শুনানির কার্যক্রম চলছে, যা আগামী ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। এরপর ২০ জানুয়ারি প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় এবং ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। প্রতীক পাওয়ার পর ২২ জানুয়ারি থেকে প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করতে পারবেন, যা ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত চলবে।

নির্বাচন কমিশন সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বিপুল সংখ্যক এই নিরাপত্তা সদস্য মোতায়েনের ফলে মাঠ পর্যায়ের কার্যালয়গুলোর সুরক্ষা নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি একটি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের পরিবেশ বজায় রাখা সহজ হবে।