হাদি হত্যাকাণ্ডের তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়ায় চরম গাফিলতি এবং রাষ্ট্রীয় উদাসীনতার অভিযোগ তুলেছে নিহতের পরিবার ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো। ঘটনার দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও মামলার তদন্তে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় ন্যায়বিচার প্রাপ্তি নিয়ে জনমনে গভীর সংশয় দেখা দিয়েছে।
নিহতের স্বজনদের দাবি, ঘটনার পর থেকে এখন পর্যন্ত তদন্তকারী সংস্থাগুলো মামলার মূল রহস্য উদঘাটন বা প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করতে কার্যকর কোনো ভূমিকা পালন করেনি। বরং বিভিন্ন সময়ে তদন্তের নামে কালক্ষেপণ করা হয়েছে বলে তারা অভিযোগ করেছেন। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রভাবশালী মহলের চাপ অথবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যথাযথ তদারকির অভাবেই বিচারিক প্রক্রিয়া স্থবির হয়ে পড়েছে।
আইনি বিশ্লেষকরা বলছেন, যেকোনো হত্যাকাণ্ডের ক্ষেত্রে প্রাথমিক তদন্ত ও তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু হাদি হত্যাকাণ্ডের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতা অপরাধীদের আড়াল করার সুযোগ তৈরি করতে পারে। রাষ্ট্রের দায়িত্ব ছিল একটি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করা, যা এই মামলার ক্ষেত্রে অনুপস্থিত বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে অবিলম্বে মামলাটি গুরুত্বসহকারে পুনরায় তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। তারা মনে করেন, রাষ্ট্রের সদিচ্ছা থাকলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে দোষীদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব। অন্যথায়, বিচারহীনতার এই সংস্কৃতি ভবিষ্যতে অপরাধ প্রবণতাকে আরও উসকে দেবে। এই পরিস্থিতিতে দ্রুত চার্জশিট দাখিল এবং একটি স্বচ্ছ বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জোরালো হচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 

























