সুনামগঞ্জের বোরো ফসলকে জেলার অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে অভিহিত করে ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া। আসন্ন জাতীয় নির্বাচন এবং বাঁধের কাজ—উভয়কেই সমান চ্যালেঞ্জ হিসেবে গ্রহণ করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্প সম্পন্ন করার তাগিদ দিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার সকালে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের কাবিটা নীতিমালার আওতায় হাওরের ডুবন্ত বাঁধ মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ সংক্রান্ত এক পর্যালোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সভায় জেলা প্রশাসক বলেন, দেশের অন্যান্য অঞ্চলের জন্য বর্তমানে জাতীয় নির্বাচন বড় চ্যালেঞ্জ হলেও সুনামগঞ্জের প্রেক্ষাপট কিছুটা ভিন্ন। এখানে নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার পাশাপাশি কৃষকের সোনালি ফসল রক্ষা করা আমাদের জন্য সমান গুরুত্বপূর্ণ। হাওরের মানুষের জীবন-জীবিকা এই বোরো ফসলের ওপর নির্ভরশীল, তাই ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণে কোনো ধরনের ধীরগতি বা শিথিলতা বরদাশত করা হবে না। নির্বাচনের ব্যস্ততার অজুহাতে তদারকিতে যেন কোনো ঘাটতি না থাকে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করেন তিনি।
সভায় জানানো হয়, চলতি অর্থবছরে সুনামগঞ্জের ৯৫টি হাওরে ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণ ও মেরামতের জন্য মোট ৭১১টি প্রকল্প (পিআইসি) গঠন করা হয়েছে। এসব প্রকল্পের কাজ দ্রুততম সময়ে শেষ করতে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়।
জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পওর বিভাগ-১) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মামুন হাওলাদারের সঞ্চালনায় সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কমিটির সদস্য আবু নাসের, সাংবাদিক জসিম উদ্দিন, শহীদনূর আহমেদ, সাইফুল ইসলাম ও সালেহীন শুভ।
অনুষ্ঠানে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পওর বিভাগ-২) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ইমদাদুল হকসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলীরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় বাঁধের কাজের গুণগত মান নিশ্চিতকরণ এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।
রিপোর্টারের নাম 






















