ঢাকা ১১:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

স্বপ্নপূরণের পথে ইতি

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৪৪:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

ইতি পাটোয়ারী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে প্রাচ্য চিত্রকলা ও মুদ্রণশিল্পে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেছেন। দিনাজপুরের খানসামার আঙ্গারপাড়া ইউনিয়নের নদীপাড়ায় তার বাস। তিনি এখন দুই সন্তানের জননী। তার স্বামী আফজালুর রহমান পাকেরহাট সরকারি কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক। সংসার, সন্তান আর কাজ—সবকিছু একসঙ্গে সামলে নিজস্ব দক্ষতা ও সৃজনশীলতাকে কাজে লাগিয়েই তিনি এগিয়ে চলেছেন।

২০২২ সালে তিনি প্রথম ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস ফাইভারে যুক্ত হন। তবে আন্তর্জাতিক ক্লায়েন্টদের সময়মতো কাজ দেওয়া এবং সন্তান ও গৃহস্থালির দায়িত্ব সামাল দিয়ে অনলাইন ফ্রিল্যান্সিং আর তার পক্ষে সম্ভব হয়ে ওঠেনি। সেই সময় থেকেই মাথায় আসে নিজের ঘর থেকেই কিছু করার চিন্তা। ইউটিউব ও ফেসবুকে হ্যান্ডপেইন্ট ও হাতের কাজের ভিডিও দেখে ধীরে ধীরে নিজের সুপ্ত শিল্পীসত্তাকে অনুভব করতে থাকেন তিনি। ছোটবেলা থেকেই হাতের কাজ ও রঙের প্রতি টান ছিল তার। আর সেই শৈশবের নেশাই তাকে ঠেলে দেয় নতুন এক পথের দিকে।

বিজ্ঞাপন

২০২৩ সালের শুরুতে মাত্র চার হাজার টাকা নিয়ে শুরু হয় ‘ইতিকথা’ নামের তার উদ্যোগ। অল্প কিছু কাপড়, রঙ ও কেমিক্যাল কিনে হাতে আঁকা প্রথম কয়েকটি পোশাক তিনি পোস্ট করেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। ক্রেতাদের কাছ থেকে বিস্ময়কর সাড়া আসে। ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে ‘ইতিকথা’ নামের ফেসবুক পেজ, আর সেখান থেকেই শুরু হয় তার পণ্যের বিক্রি। তিন বছরের মধ্যে মাত্র চার হাজার টাকার পুঁজি আজ রূপ নিয়েছে প্রায় পাঁচ লাখ টাকার ব্যবসায়। বর্তমানে তিনি মাসে আয় করছেন ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের সেনা প্রত্যাহারের হুমকির মুখেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মৈত্রীর বার্তা জার্মান চ্যান্সেলরের

স্বপ্নপূরণের পথে ইতি

আপডেট সময় : ০১:৪৪:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

ইতি পাটোয়ারী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে প্রাচ্য চিত্রকলা ও মুদ্রণশিল্পে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেছেন। দিনাজপুরের খানসামার আঙ্গারপাড়া ইউনিয়নের নদীপাড়ায় তার বাস। তিনি এখন দুই সন্তানের জননী। তার স্বামী আফজালুর রহমান পাকেরহাট সরকারি কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক। সংসার, সন্তান আর কাজ—সবকিছু একসঙ্গে সামলে নিজস্ব দক্ষতা ও সৃজনশীলতাকে কাজে লাগিয়েই তিনি এগিয়ে চলেছেন।

২০২২ সালে তিনি প্রথম ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস ফাইভারে যুক্ত হন। তবে আন্তর্জাতিক ক্লায়েন্টদের সময়মতো কাজ দেওয়া এবং সন্তান ও গৃহস্থালির দায়িত্ব সামাল দিয়ে অনলাইন ফ্রিল্যান্সিং আর তার পক্ষে সম্ভব হয়ে ওঠেনি। সেই সময় থেকেই মাথায় আসে নিজের ঘর থেকেই কিছু করার চিন্তা। ইউটিউব ও ফেসবুকে হ্যান্ডপেইন্ট ও হাতের কাজের ভিডিও দেখে ধীরে ধীরে নিজের সুপ্ত শিল্পীসত্তাকে অনুভব করতে থাকেন তিনি। ছোটবেলা থেকেই হাতের কাজ ও রঙের প্রতি টান ছিল তার। আর সেই শৈশবের নেশাই তাকে ঠেলে দেয় নতুন এক পথের দিকে।

বিজ্ঞাপন

২০২৩ সালের শুরুতে মাত্র চার হাজার টাকা নিয়ে শুরু হয় ‘ইতিকথা’ নামের তার উদ্যোগ। অল্প কিছু কাপড়, রঙ ও কেমিক্যাল কিনে হাতে আঁকা প্রথম কয়েকটি পোশাক তিনি পোস্ট করেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। ক্রেতাদের কাছ থেকে বিস্ময়কর সাড়া আসে। ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে ‘ইতিকথা’ নামের ফেসবুক পেজ, আর সেখান থেকেই শুরু হয় তার পণ্যের বিক্রি। তিন বছরের মধ্যে মাত্র চার হাজার টাকার পুঁজি আজ রূপ নিয়েছে প্রায় পাঁচ লাখ টাকার ব্যবসায়। বর্তমানে তিনি মাসে আয় করছেন ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা।