ঢাকা ১১:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

ভারতে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের লক্ষ্য করে বিদ্বেষমূলক বক্তব্যের উদ্বেগজনক বৃদ্ধি, খ্রিষ্টানরাও এখন নিশানা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৪:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

ভারতে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক বক্তব্যের (হেট স্পিচ) সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতদিন মুসলিম সম্প্রদায় প্রধানত উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের নিশানায় থাকলেও, এখন খ্রিষ্টানরাও একইভাবে বিদ্বেষের শিকার হচ্ছেন। মসজিদ ও গির্জা ধ্বংসের আহ্বান জানানোর পাশাপাশি এই দুই সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে অস্ত্র ব্যবহারের এবং হত্যার মতো উস্কানিমূলক বক্তব্যও শোনা যাচ্ছে।

ওয়াশিংটনভিত্তিক সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অফ অর্গানাইজড হেট (CSOH)-এর একটি প্রকল্প, ইন্ডিয়া হেট ল্যাব (IHL)-এর বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালে মুসলিম ও খ্রিষ্টানদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক বক্তব্যের ঘটনা ঘটেছে এক হাজার ৩০০-র বেশি, যা ২০২৪ সালের তুলনায় ১৩ শতাংশ বেশি। এই ঘটনাগুলোর অধিকাংশই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) শাসিত রাজ্যগুলোতে ঘটেছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ভারতের ২১টি রাজ্যে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের, বিশেষ করে মুসলিম ও খ্রিষ্টানদের লক্ষ্য করে প্রায় এক হাজার ৩১৮টি বিদ্বেষমূলক বক্তব্যের ঘটনা নথিভুক্ত করা হয়েছে। এই সংখ্যা ২০২৩ সালের তুলনায় ৯৭ শতাংশ বেশি, যেখানে মাত্র ৬৬৮টি ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছিল।

জাতিসংঘ কর্তৃক নির্ধারিত বিদ্বেষমূলক বক্তব্যের সংজ্ঞার আলোকে এই বক্তব্যগুলোকে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের ব্যবহার, সহিংসতা ও অস্ত্র ব্যবহারের প্রত্যক্ষ আহ্বান, সামাজিক বা অর্থনৈতিকভাবে বয়কটের ঘোষণা, উপাসনালয় দখল বা ধ্বংস করার দাবি এবং ভাষা ও সংস্কৃতির অবমাননা। এই প্রবণতা ভারতের সামাজিক সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের জন্য গভীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গিয়াস উদ্দিন সেলিমের নতুন চমক ‘পথের প্যাঁচাল’: ইয়াশ ও বহ্নির ভিন্নধর্মী রসায়ন

ভারতে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের লক্ষ্য করে বিদ্বেষমূলক বক্তব্যের উদ্বেগজনক বৃদ্ধি, খ্রিষ্টানরাও এখন নিশানা

আপডেট সময় : ০৯:৪৪:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

ভারতে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক বক্তব্যের (হেট স্পিচ) সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতদিন মুসলিম সম্প্রদায় প্রধানত উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের নিশানায় থাকলেও, এখন খ্রিষ্টানরাও একইভাবে বিদ্বেষের শিকার হচ্ছেন। মসজিদ ও গির্জা ধ্বংসের আহ্বান জানানোর পাশাপাশি এই দুই সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে অস্ত্র ব্যবহারের এবং হত্যার মতো উস্কানিমূলক বক্তব্যও শোনা যাচ্ছে।

ওয়াশিংটনভিত্তিক সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অফ অর্গানাইজড হেট (CSOH)-এর একটি প্রকল্প, ইন্ডিয়া হেট ল্যাব (IHL)-এর বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালে মুসলিম ও খ্রিষ্টানদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক বক্তব্যের ঘটনা ঘটেছে এক হাজার ৩০০-র বেশি, যা ২০২৪ সালের তুলনায় ১৩ শতাংশ বেশি। এই ঘটনাগুলোর অধিকাংশই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) শাসিত রাজ্যগুলোতে ঘটেছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ভারতের ২১টি রাজ্যে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের, বিশেষ করে মুসলিম ও খ্রিষ্টানদের লক্ষ্য করে প্রায় এক হাজার ৩১৮টি বিদ্বেষমূলক বক্তব্যের ঘটনা নথিভুক্ত করা হয়েছে। এই সংখ্যা ২০২৩ সালের তুলনায় ৯৭ শতাংশ বেশি, যেখানে মাত্র ৬৬৮টি ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছিল।

জাতিসংঘ কর্তৃক নির্ধারিত বিদ্বেষমূলক বক্তব্যের সংজ্ঞার আলোকে এই বক্তব্যগুলোকে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের ব্যবহার, সহিংসতা ও অস্ত্র ব্যবহারের প্রত্যক্ষ আহ্বান, সামাজিক বা অর্থনৈতিকভাবে বয়কটের ঘোষণা, উপাসনালয় দখল বা ধ্বংস করার দাবি এবং ভাষা ও সংস্কৃতির অবমাননা। এই প্রবণতা ভারতের সামাজিক সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের জন্য গভীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।