ঢাকা ০৭:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬

পঞ্চগড়ে তীব্র শীত, তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:১৪:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

ক্রমবর্ধমান শীতের প্রকোপে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গত কয়েক দিন ধরে এই অঞ্চলের তাপমাত্রা ৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে। আজ বুধবার সকাল ৯টায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে তেঁতুলিয়ায়।

সকালে সূর্যের দেখা মিললেও ঘন কুয়াশার চাদরে আকাশ ঢাকা থাকায় রোদের তেজ ছিল অত্যন্ত ক্ষীণ। মহাসড়কে যানবাহনগুলোকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে, যা এই শীতের তীব্রতারই প্রতিফলন। কুয়াশার প্রভাব কিছুটা কমলেও উত্তরের হিমেল বাতাস এবং কনকনে শীত ছিন্নমূল ও নিম্ন আয়ের মানুষের দুর্ভোগ বাড়িয়ে তুলেছে।

কৃষ্ণকান্তজোত গ্রামের একজন মহিলা পাথর শ্রমিক আমিনা বলেন, “কনকনে শীতে হাত-পা জমে যাচ্ছে। এলাকায় কোনো কাজও নেই, তাই এই ঠান্ডায় পাথর ভাঙার কাজে যেতে হচ্ছে।”

বাংলাবান্ধা এলাকার আব্দুর রহমান জানান, “মহানন্দার পানি বরফের চেয়েও ঠান্ডা। নদীতে পাথরও তেমন পাওয়া যায় না। সরিষার তেল গায়ে মেখে কোনোমতে ঠাণ্ডা পানিতে পা ভিজিয়ে পাথর কুড়ানোর চেষ্টা করছি।”

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক রোকনুজ্জামান জানান, “আজ সকাল ৯টায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকলেও হিমেল বাতাস ও ঘন কুয়াশার কারণে শীতের তীব্রতা বেশি অনুভূত হচ্ছে। আগামী কয়েকদিন এই শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।”

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরাকে তেলবাহী ট্যাঙ্কারে হামলা

পঞ্চগড়ে তীব্র শীত, তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস

আপডেট সময় : ১১:১৪:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

ক্রমবর্ধমান শীতের প্রকোপে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গত কয়েক দিন ধরে এই অঞ্চলের তাপমাত্রা ৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে। আজ বুধবার সকাল ৯টায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে তেঁতুলিয়ায়।

সকালে সূর্যের দেখা মিললেও ঘন কুয়াশার চাদরে আকাশ ঢাকা থাকায় রোদের তেজ ছিল অত্যন্ত ক্ষীণ। মহাসড়কে যানবাহনগুলোকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে, যা এই শীতের তীব্রতারই প্রতিফলন। কুয়াশার প্রভাব কিছুটা কমলেও উত্তরের হিমেল বাতাস এবং কনকনে শীত ছিন্নমূল ও নিম্ন আয়ের মানুষের দুর্ভোগ বাড়িয়ে তুলেছে।

কৃষ্ণকান্তজোত গ্রামের একজন মহিলা পাথর শ্রমিক আমিনা বলেন, “কনকনে শীতে হাত-পা জমে যাচ্ছে। এলাকায় কোনো কাজও নেই, তাই এই ঠান্ডায় পাথর ভাঙার কাজে যেতে হচ্ছে।”

বাংলাবান্ধা এলাকার আব্দুর রহমান জানান, “মহানন্দার পানি বরফের চেয়েও ঠান্ডা। নদীতে পাথরও তেমন পাওয়া যায় না। সরিষার তেল গায়ে মেখে কোনোমতে ঠাণ্ডা পানিতে পা ভিজিয়ে পাথর কুড়ানোর চেষ্টা করছি।”

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক রোকনুজ্জামান জানান, “আজ সকাল ৯টায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকলেও হিমেল বাতাস ও ঘন কুয়াশার কারণে শীতের তীব্রতা বেশি অনুভূত হচ্ছে। আগামী কয়েকদিন এই শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।”