তীব্র শীতে কাঁপছে চুয়াডাঙ্গা। হাড় কাঁপানো ঠান্ডায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে এ অঞ্চলের জনজীবন, বিশেষ করে খেটে খাওয়া ও ছিন্নমূল মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। আজ বুধবার সকালে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
প্রয়োজন ছাড়া সকালে ঘর থেকে বের হচ্ছেন না সাধারণ মানুষ। এতে কমে গেছে রাস্তাঘাটে লোকজনের চলাচল। তীব্র শীতের কারণে দৈনন্দিন কাজে নেমে আসা শ্রমজীবী মানুষ পড়েছেন চরম বিপাকে। বিশেষ করে সকালে কাজের সন্ধানে বের হয়েও অনেকে কাজ পাচ্ছেন না।
শহরের ভ্যানচালক শহিদুল হক জানান, তীব্র শীতের কারণে ভ্যান চালাতে ভীষণ কষ্ট হচ্ছে। সকালে যাত্রী খুবই কম, প্রচণ্ড ঠান্ডায় লোকজন তেমন দেখা যাচ্ছে না। এতে তাদের আয় কমে গেছে।
শহরের বড় বাজারে কাজের সন্ধানে আসা দিনমজুরেরা বলেন, কনকনে শীতের সঙ্গে হিমেল হাওয়া শীতের তীব্রতা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। তবে জীবিকার তাগিদে কাজ না করে উপায় নেই। বাধ্য হয়েই কর্মস্থলে যেতে হচ্ছে। অনেকেই কাজ না পেয়ে খালি হাতে বাড়ি ফিরছেন।
চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, গতকাল মঙ্গলবার জেলার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ১০.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তিনি আরও জানান, আজ বুধবার সকাল ৬টায় তাপমাত্রা ছিল ১০.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৩ শতাংশ। এর তিন ঘণ্টা পর সকাল ৯টায় তাপমাত্রা আরও কমে ১০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়। সে সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯১ শতাংশ।
রিপোর্টারের নাম 
























