ঢাকার বাসিন্দা আমি। তবে ঢাকা থেকে সরাসরি চাঁপাইনবাবগঞ্জ না গিয়ে প্রথমে এক রাত থাকলাম রাজশাহীতে। পরদিন সকালে রাজশাহী রেলস্টেশন থেকে সকাল ৯টা ১০ মিনিটের চাঁপাইনবাবগঞ্জগামী ‘রাজশাহী কমিউটার’ ট্রেন ধরলাম। ভাড়া নিল মাত্র ৫০ টাকা। চাঁপাইনবাবগঞ্জের উপজেলা নাচোলে পৌঁছাতে সময় লাগল প্রায় দেড় ঘণ্টা। পথিমধ্যে বেশ কিছু স্টেশন দেখার সুযোগ হলো। খুব নিরিবিলি আর সাদামাটা সেসব স্টেশন। লোকাল ট্রেনে চড়ার অন্যতম সুন্দর অভিজ্ঞতা হলো, এমন ছোট ছোট অনেক স্টেশন দেখার সুযোগ মেলে, আর লোকাল ছাপোষা ধাঁচের মানুষদের সান্নিধ্য পাওয়া যায়। তাদের প্রত্যেকের জীবন যেন একেকটা অনবদ্য গল্প।
নাচোলে নেমে একটা অটো রিজার্ভ করলাম; গন্তব্য নেজামপুর ইউনিয়নের আলপনা গ্রাম টিকোইল আর কেন্দুয়া গ্রামের ইলা মিত্রের সংগ্রহশালা। যাওয়া-আসা ৫০০ টাকা। যেতে যেতে বুঝলাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জে জনবসতি কম, ফসলের মাঠ বেশি। আর সেখানে মাটির বাড়ি অহরহ। জেলাটি যে খুব একটা উন্নত নয়, তা যে কেউ একবার গেলেই বুঝতে পারবে। আধুনিকতার এই শতাব্দীতে গ্রামগুলোও আধুনিক হয়ে গেছে। কেউ যদি প্রকৃত গ্রামের স্বাদ নিতে চায়, তাকে উত্তরের জেলাগুলোয় যেতে হবে।
রিপোর্টারের নাম 
























