ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান মোসাব্বিরকে গুলি করে হত্যার দুই দিনেও ঘাতকদের পরিচয় শনাক্ত করতে না পারায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্বজন ও রাজনৈতিক সহকর্মীরা। এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে এবং খুনিদের দ্রুত গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর তেজগাঁও থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন নিহতের পরিবার, রাজনৈতিক অনুসারী ও কাওরান বাজারের ব্যবসায়ীরা।
দুপুর দেড়টার দিকে হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থল তেজতুরী বাজারের স্টার কাবাবের পেছনের গলি থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। মিছিলটি কাওরান বাজার মোড় হয়ে তেজগাঁও থানার সামনে পৌঁছালে বিক্ষোভকারীরা প্রায় ৩০ মিনিট থানা ঘেরাও করে রাখেন। এ সময় তারা খুনিদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
বিক্ষোভকারীদের চাপের মুখে তেজগাঁও থানার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা দ্রুততম সময়ের মধ্যে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি শান্ত হয়। এরপর মিছিলটি পুনরায় কাওরান বাজার মোড় হয়ে সোনারগাঁও মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। বিক্ষোভকারীরা জানান, পুলিশ তাদের আশ্বস্ত করেছে যে তদন্তে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে এবং দ্রুতই খুনিদের আইনের আওতায় আনা হবে।
এ বিষয়ে তেজগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ক্যশৈনু মারমা সাংবাদিকদের বলেন, “মোসাব্বির হত্যার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারের দাবিতে নিহতের পরিবার, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ মানুষ এসেছিলেন। আমরা তাদের জানিয়েছি, ঘটনাস্থলের বেশ কিছু সিসিটিভি ফুটেজ আমাদের হাতে এসেছে। ফুটেজগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করে অপরাধীদের শনাক্ত করার কাজ চলছে। আমরা আশাবাদী, দ্রুতই তাদের পরিচয় প্রকাশ ও গ্রেফতার করা সম্ভব হবে।”
উল্লেখ্য, গত বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাত ৮টার দিকে তেজতুরী বাজারে স্টার কাবাবের পেছনের গলিতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হন আজিজুর রহমান মোসাব্বির। একই ঘটনায় কাওরান বাজার ভ্যানচালক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ান মাসুদও গুলিবিদ্ধ হন। তিনি বর্তমানে গুরুতর অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
রিপোর্টারের নাম 

























