ঢাকা ১১:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মধ্য আফ্রিকা প্রজাতন্ত্রে ফের জয়ী তোয়াদারা, পেলেন তৃতীয় মেয়াদ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৪৪:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

মধ্য আফ্রিকা প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পুনরায় নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছেন ফোসন অসনজ তোয়াদারা। প্রাথমিক ফলাফল অনুযায়ী, বিপুল জনসমর্থন নিয়ে তিনি তৃতীয়বারের মতো দেশটির শীর্ষ পদে আসীন হতে যাচ্ছেন। ৬৮ বছর বয়সী এই গণিতবিদ ও রাজনীতিক নির্বাচনে মোট প্রদত্ত ভোটের ৭৬ দশমিক ১৫ শতাংশ পেয়েছেন।

গত ২৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়া এই নির্বাচনে ভোটারদের উপস্থিতির হার ছিল ৫২ দশমিক ৪২ শতাংশ। তবে নির্বাচনটি পুরোপুরি বিতর্কমুক্ত ছিল না। দেশটির প্রধান বিরোধী জোট বিআরডিসি এই নির্বাচন বর্জন করেছে। তাদের অভিযোগ, দেশটিতে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মতো কোনো সুষ্ঠু পরিবেশ নেই।

নির্বাচনী প্রচারণায় তোয়াদারা মূলত দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি উন্নয়নের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়েছিলেন। গৃহযুদ্ধ ও দীর্ঘদিনের অস্থিরতা কাটিয়ে উঠতে তিনি রুয়ান্ডা ও রুশ ভাড়াটে সেনাদের সহায়তা গ্রহণ করেন, যা তার নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতিতে বিশেষ ভূমিকা রেখেছে। এছাড়া বিভিন্ন বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সঙ্গে করা সাম্প্রতিক শান্তিচুক্তিগুলোকে তার সরকারের বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে আলবানিজের পরিবারের মামলা: ফিলিস্তিন ইস্যুতে আইনি লড়াই

মধ্য আফ্রিকা প্রজাতন্ত্রে ফের জয়ী তোয়াদারা, পেলেন তৃতীয় মেয়াদ

আপডেট সময় : ০১:৪৪:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

মধ্য আফ্রিকা প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পুনরায় নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছেন ফোসন অসনজ তোয়াদারা। প্রাথমিক ফলাফল অনুযায়ী, বিপুল জনসমর্থন নিয়ে তিনি তৃতীয়বারের মতো দেশটির শীর্ষ পদে আসীন হতে যাচ্ছেন। ৬৮ বছর বয়সী এই গণিতবিদ ও রাজনীতিক নির্বাচনে মোট প্রদত্ত ভোটের ৭৬ দশমিক ১৫ শতাংশ পেয়েছেন।

গত ২৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়া এই নির্বাচনে ভোটারদের উপস্থিতির হার ছিল ৫২ দশমিক ৪২ শতাংশ। তবে নির্বাচনটি পুরোপুরি বিতর্কমুক্ত ছিল না। দেশটির প্রধান বিরোধী জোট বিআরডিসি এই নির্বাচন বর্জন করেছে। তাদের অভিযোগ, দেশটিতে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মতো কোনো সুষ্ঠু পরিবেশ নেই।

নির্বাচনী প্রচারণায় তোয়াদারা মূলত দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি উন্নয়নের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়েছিলেন। গৃহযুদ্ধ ও দীর্ঘদিনের অস্থিরতা কাটিয়ে উঠতে তিনি রুয়ান্ডা ও রুশ ভাড়াটে সেনাদের সহায়তা গ্রহণ করেন, যা তার নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতিতে বিশেষ ভূমিকা রেখেছে। এছাড়া বিভিন্ন বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সঙ্গে করা সাম্প্রতিক শান্তিচুক্তিগুলোকে তার সরকারের বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।