সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে দেশের ঐতিহ্যবাহী ক্রীড়া সংগঠন মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের আয়োজনে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) বিকালে রাজধানীর মোহামেডান ক্লাব অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে সাবেক তারকা ক্রীড়াবিদ ও ক্রীড়া সংগঠকসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন। দোয়ার পাশাপাশি সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন তারা।
দোয়া মাহফিল শেষে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের সাবেক ডিরেক্টর ইনচার্জ লোকমান হোসেন ভূইয়া সাংবাদিকদের বলেন, ‘১৯৯৮ সালে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে তিনি (খালেদা জিয়া) আমাদের এই ক্লাবে এসেছিলেন। আমাদের ক্লাবের সদস্য শরিফুল আলমের বিয়ে উপলক্ষে তার আগমন ঘটে। ক্রীড়াঙ্গনে তার অবদান অনেক। সে কারণেই ক্রীড়াঙ্গনের সবাইকে নিয়ে আজ এই দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।’
ক্লাবের সাবেক সভাপতি মোসাদ্দেক আলী ফালু বলেন, ‘আমাদের এই ক্লাবের আনুষ্ঠানিক দলিল তার (খালেদা জিয়া) সময়েই হয়েছে। তিনি ও তার পরিবার সব সময় ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নে কাজ করেছেন। ২০১১ সালের বিশ্বকাপের সময় রাজনৈতিক আন্দোলন চলছিল। তখন বিশ্বকাপ যেন সব ভেন্যুতে নির্বিঘ্নে আয়োজন করা যায়, সে জন্য তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন।’
জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক ও বর্তমানে বিএনপির ক্রীড়া সম্পাদক আমিনুল হক বলেন, ‘২০০৩ সালে সাফ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর দেশনেত্রী খালেদা জিয়া সব খেলোয়াড়কে পাঁচ কাঠা করে জমি দিয়েছিলেন। ক্রীড়াবিদদের জন্য এ ধরনের উপহার বাংলাদেশে আর কেউ দেননি।’
ব্রাদার্স ইউনিয়ন ক্লাবের আহ্বায়ক ইশরাক হোসেন বলেন, ‘১৯৯১ সালে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার হাত ধরেই আমার বাবা যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হয়েছিলেন। তখন আমার বয়স ছিল চার বছর। ছোটবেলা থেকেই দেখেছি, ক্রীড়াঙ্গনকে এগিয়ে নিতে তিনি ও আমার বাবা কীভাবে নিরলস পরিশ্রম করেছেন। সে সময় সাফ গেমসের আয়োজনও করা হয়েছিল।’
মোহামেডান ক্লাবের সদস্য ও সাবেক ক্রীড়ামন্ত্রী মির্জা আব্বাস বলেন, ‘রাষ্ট্রীয় ও দলীয় নানা ব্যস্ততার মধ্যেও ম্যাডাম ক্রীড়াঙ্গনের খোঁজখবর সব সময় রাখতেন।’
দোয়া মাহফিলে আরও উপস্থিত ছিলেন উপমহাদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার নিয়াজ মোর্শেদ, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সাবেক সভাপতি এস এ সুলতান, সাবেক তারকা ফুটবলার সৈয়দ রুম্মন বিন ওয়ালী সাব্বির, সাবেক জাতীয় ফুটবলার ও কোচ শফিকুল ইসলাম মানিক, বিসিবির সাবেক পরিচালক মাহবুব আনাম, জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু, মোহামেডানের পরিচালক ও ক্রীড়া সংগঠক মাসুদুজ্জামান, সাবেক ফুটবলার ছাইদ হাসান কানন, কায়সার হামিদ, ইমতিয়াজ সুলতান জনি, ক্রীড়াবিদ ও সংগঠক কামরুন নাহার ডানা, সাবেক টিটি তারকা সাইদুল হক সাদী, সাবেক জাতীয় হকি খেলোয়াড় আরিফুল হক প্রিন্স, অধিনায়ক রাসেল মাহমুদ জিমি, রফিকুল ইসলাম কামাল, সাজেদ এ এ আদেল এবং ক্রীড়া সংগঠক আনোয়ারুল হক হেলাল, মোস্তাকুর রহমান, ফজলুর রহমান বাবুলসহ অন্য কর্মকর্তা ও ক্রীড়া সংগঠকরা।
রিপোর্টারের নাম 
























