মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) ও গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনে জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় পার্টি, ইসলামী আন্দোলন, কমিউনিস্ট পার্টি ও স্বতন্ত্রসহ মোট ৮ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। এর মধ্যে গাইবান্ধা-১ আসনে ৫ জন এবং গাইবান্ধা-২ আসনে ৩ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়েছে।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত গাইবান্ধা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়। যাচাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়ন বাতিলের ঘোষণা দেন।
গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে মোট ১০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এর মধ্যে ৫ জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
বৈধ প্রার্থীরা হলেন— বিএনপির অধ্যাপক ডা. খন্দকার জিয়াউল হক জিয়া, জাতীয় পার্টির ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, মার্কসবাদী পরমানন্দ দাস, এলডিপির শরিফুল ইসলাম ও আমজনতার কওছর আজম।
অন্যদিকে গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনে মোট ৮ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। এর মধ্যে ৫ জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
বৈধ প্রার্থীরা হলেন— বিএনপির মো. আনিসুজ্জামান খান বাবু, জাতীয় পার্টির আব্দুর রশিদ সরকার, জামায়াতে ইসলামীর আব্দুল করিম, মার্কসবাদীর আহসানুল হক ও জনতার দলের শাহেদুর রহমান।
রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা জানান, গাইবান্ধা-১ আসনে শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত থাকায় জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী মাজেদুর রহমানের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া দলীয় মনোনয়নপত্রের কাগজপত্রে ত্রুটি থাকায় জাতীয় পার্টির মাহফুজুল হক সরকার ও ইসলামী আন্দোলনের রমজান আলীর মনোনয়ন বাতিল হয়। স্বতন্ত্র প্রার্থী সালমা আক্তার ও মোস্তফা মহসিনের ক্ষেত্রে সমর্থনকারী ভোটারের সংখ্যায় অসংগতি পাওয়া গেছে।
তিনি জানান, গাইবান্ধা-২ আসনে দলীয় মনোনয়নপত্র সঠিক না থাকায় কমিউনিস্ট পার্টির মিহির কুমার ঘোষ ও ইসলামী আন্দোলনের মোহাম্মদ আব্দুল মাজেদের এবং হলফনামায় সই না থাকায় খেলাফত মজলিসের এ কে এম গোলাম আযমের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন, বাতিল হওয়া প্রার্থীরা আইন অনুযায়ী আপিল করতে পারবেন। আচরণবিধি প্রতিপালনে প্রার্থীদের সহযোগিতা সন্তোষজনক এবং একটি সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের লক্ষে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 

























