ঢাকা ০৬:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬

মাহমুদুর রহমান মান্নার মনোনয়ন বাতিল বিষয়ে যা বললেন রিটার্নিং কর্মকর্তা

বগুড়ার তিনটি সংসদীয় আসনে সাত প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের প্রথমদিন শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) জেলা প্রশাসক ও নির্বাচনি রিটার্নিং কর্মকর্তা তৌফিকুর রহমান এ ঘোষণা দেন।

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা) আসনে মোট সাত প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। শুক্রবার যাচাই-বাছাই শেষে স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহাজাদী আলম লিপির মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। তিনি এক শতাংশ ভোটারের সমর্থন তালিকা জমা দিলেও তাদের স্বাক্ষর ও তথ্যের মধ্যে গড়মিল পাওয়া যায়। এ ছাড়া শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্র জমা দিতে না পারায় এ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী এ বি এম মোস্তফা কামাল পাশার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে।

এই আসনে মনোনয়নপত্র বৈধ পাঁচ জন হলেন- বিএনপি মনোনীত দুই জন কাজী রফিকুল ইসলাম ও এ কে এম আহসানুল তৈয়ব জাকির, জামায়াতে ইসলামীর শাহাবুদ্দিন, বাংলাদেশ কংগ্রেসের আসাদুল হক ও গণফোরামের জুলফিকার আলী।

বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে সাত প্রার্থীর মধ্যে চার জনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। তারা হলেন- নাগরিক ঐক্যর সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ, স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল করিম তালু ও গণঅধিকার পরিষদের সেলিম সরকার।

রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ সম্পদের বিবরণীর ফরম দাখিল না করা এবং ফেরারি আসামি হওয়ায় তার মনোনয়ন বাতিল করা হয়। মাহমুদুর রহমান মান্নার হলফনামায় তথ্যের গড়মিল পাওয়া গেছে। এ ছাড়া মামলার তথ্য গোপনের অভিযোগে অপর দুই প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়।

এই আসনে বিএনপির মীর শাহে আলম, জামায়াতে ইসলামীর আবুল আজাদ মোহাম্মদ শাহাদুজ্জামান ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জামাল উদ্দিনের মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে।

এ ছাড়া বগুড়া-৩ (দুপচাঁচিয়া-আদমদীঘি) আসনে পাঁচ প্রার্থীর মধ্যে একজনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। মামলার তথ্য গোপন করায় ইসলামী আন্দোলন
বাংলাদেশের শাহজাহান আলী তালুকদারের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়।

এই আসনে মনোনয়নপত্র বৈধ হওয়া চার প্রার্থী হলেন- বিএনপির আব্দুল মুহিত তালুকদার, জাতীয় পার্টির শাহিনুল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের তৌহিদুল
ইসলাম ও জামায়াতে ইসলামীর নূর মোহাম্মদ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানালেন খলিলুর রহমান

মাহমুদুর রহমান মান্নার মনোনয়ন বাতিল বিষয়ে যা বললেন রিটার্নিং কর্মকর্তা

আপডেট সময় : ০১:৫৬:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬

বগুড়ার তিনটি সংসদীয় আসনে সাত প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের প্রথমদিন শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) জেলা প্রশাসক ও নির্বাচনি রিটার্নিং কর্মকর্তা তৌফিকুর রহমান এ ঘোষণা দেন।

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা) আসনে মোট সাত প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। শুক্রবার যাচাই-বাছাই শেষে স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহাজাদী আলম লিপির মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। তিনি এক শতাংশ ভোটারের সমর্থন তালিকা জমা দিলেও তাদের স্বাক্ষর ও তথ্যের মধ্যে গড়মিল পাওয়া যায়। এ ছাড়া শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্র জমা দিতে না পারায় এ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী এ বি এম মোস্তফা কামাল পাশার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে।

এই আসনে মনোনয়নপত্র বৈধ পাঁচ জন হলেন- বিএনপি মনোনীত দুই জন কাজী রফিকুল ইসলাম ও এ কে এম আহসানুল তৈয়ব জাকির, জামায়াতে ইসলামীর শাহাবুদ্দিন, বাংলাদেশ কংগ্রেসের আসাদুল হক ও গণফোরামের জুলফিকার আলী।

বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে সাত প্রার্থীর মধ্যে চার জনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। তারা হলেন- নাগরিক ঐক্যর সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ, স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল করিম তালু ও গণঅধিকার পরিষদের সেলিম সরকার।

রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ সম্পদের বিবরণীর ফরম দাখিল না করা এবং ফেরারি আসামি হওয়ায় তার মনোনয়ন বাতিল করা হয়। মাহমুদুর রহমান মান্নার হলফনামায় তথ্যের গড়মিল পাওয়া গেছে। এ ছাড়া মামলার তথ্য গোপনের অভিযোগে অপর দুই প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়।

এই আসনে বিএনপির মীর শাহে আলম, জামায়াতে ইসলামীর আবুল আজাদ মোহাম্মদ শাহাদুজ্জামান ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জামাল উদ্দিনের মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে।

এ ছাড়া বগুড়া-৩ (দুপচাঁচিয়া-আদমদীঘি) আসনে পাঁচ প্রার্থীর মধ্যে একজনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। মামলার তথ্য গোপন করায় ইসলামী আন্দোলন
বাংলাদেশের শাহজাহান আলী তালুকদারের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়।

এই আসনে মনোনয়নপত্র বৈধ হওয়া চার প্রার্থী হলেন- বিএনপির আব্দুল মুহিত তালুকদার, জাতীয় পার্টির শাহিনুল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের তৌহিদুল
ইসলাম ও জামায়াতে ইসলামীর নূর মোহাম্মদ।