বিপিএলে নতুন বছরের শুরুতে ৬ রানের নাটকীয় এক জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে সিলেট টাইটান্স। শামীম হোসেনের বিস্ফোরক ব্যাটিং শ্বাসরুদ্ধকর রোমাঞ্চের জন্ম দিলেও শেষ পর্যন্ত স্নায়ু ধরে রেখে ঢাকা ক্যাপিটালসকে হারিয়েছে তারা।
১৭৩ রানের লক্ষ্য তাড়ায় শুরুতেই ধসে পড়ে ঢাকার ইনিংস। তবে ৪৩ বলে ঝড়ো ৮১ রানের ইনিংস খেলে ম্যাচে প্রাণ ফেরান শামীম। দলকে টেনে নিয়ে যান প্রায় অসম্ভবের কাছাকাছি।
নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পড়লেও এক প্রান্ত আগলে রেখে স্ট্রোকপ্লেতে বোলারদের ওপর চড়াও হন শামীম। শেষ বল পর্যন্ত জয়ের আশা বাঁচিয়ে রাখেন তিনি। শেষ ৬ বলে দরকার ছিল ২৭ রান। আমিরের ওভারে তিনটি চারের সঙ্গে একটি ছক্কাও হাঁকান তিনি। এই সময় একটি ওয়াইড ও নো বলের দেখাও মেলে। শেষ ডেলিভারিতে ম্যাচ টাই করতে প্রয়োজন ছিল ছয় রান। যদিও ওই বলে আর রান নিতে পারেননি শামীম। শেষ পর্যন্ত ৮ উইকেটে ১৬৭ রানে থামে ঢাকার ইনিংস।
ঢাকার ইনিংসের শুরুটা ছিল অগোছালো। আট ওভারের মধ্যেই ৪৩ রানে পাঁচ উইকেট হারায় তারা। জুবাইদ আকবরি, সাইফ হাসান, মোহাম্মদ মিঠুন ও নাসির হোসেন দ্রুত ফিরে যান প্যাভিলিয়নে।
সাব্বির রহমানের কাছ থেকে সাময়িক সহায়তা মিললেও ১১৬ রানে অষ্টম উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে ঢাকা। তখন একাই লড়াই চালিয়ে যেতে হয় শামীমকে।
সিলেটের হয়ে আজমতউল্লাহ ওমরজাই ছিলেন ম্যাচের নায়ক। শেষ দিকে ব্যাট হাতে ঝলক দেখানোর পর বল হাতে তুলে নেন তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট। তার অলরাউন্ড নৈপুণ্যেই নাটকীয় জয় নিশ্চিত করে সিলেট টাইটান্স।
শুরুতে টস হেরে ৫ উইকেটে ১৭৩ রান সংগ্রত করেছিল সিলেট। ওপেনার সাইম আইয়ুব ৩৪ বলে ২৯ রানের ধীর গতির ইনিংস খেললে পরে ইনিংসে গতি ফেরান পারভেজ হোসেন ইমন ও আজমতউল্লাহ ওমরজাই। ইমনের ব্যাট থেকে আসে ৩২ বলে ৪৪ রান। তাতে ছিল ২টি চার ও ২টি ছয়। তবে শেষ দিকে ওমরজাই ছিলেন ইনিংসের মূল কারিগর। ২৪ বলে ৫ চার ও ৩ ছক্কায় অপরাজিত ৫০ রান করেন তিনি।
রিপোর্টারের নাম 

























