মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ঘিরে ভ্রমণ ও লজিস্টিক ব্যবস্থাপনায় সতর্ক অবস্থান নিয়েছে আইসিসি। সংস্থাটি জানিয়েছে, তারা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং টুর্নামেন্ট-সংশ্লিষ্ট সবার নিরাপত্তা ও যাতায়াত নিশ্চিত করতে সমন্বিত বিকল্প পরিকল্পনাও রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। এর প্রভাবে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়; বেশ কিছু এয়ারলাইনস ফ্লাইট বাতিল বা রুট পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়।
আইসিসির এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই সংকটের টুর্নামেন্ট পরিচালনায় সরাসরি কোনো প্রভাব নেই। তবে খেলোয়াড়, দলীয় ব্যবস্থাপনা, ম্যাচ কর্মকর্তা, সম্প্রচারকর্মী ও ইভেন্ট স্টাফদের বড় একটি অংশ টুর্নামেন্ট শেষে নিজ নিজ দেশে ফেরার জন্য মধ্যপ্রাচ্যের বিমানবন্দর—বিশেষ করে দুবাই ব্যবহার করেন। ফলে আকাশসীমা বন্ধের প্রভাব তাদের ভ্রমণ পরিকল্পনায় পড়তে পারে।
সংস্থাটি জানায়, তাদের ট্রাভেল ও লজিস্টিকস বিভাগ বড় আন্তর্জাতিক এয়ারলাইনের সঙ্গে সমন্বয় করে ইউরোপ, দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার হাব হয়ে বিকল্প রুট নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে। পাশাপাশি আইসিসির নিরাপত্তা পরামর্শকরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী তাৎক্ষণিক নির্দেশনা দেবেন। এ ছাড়া একটি বিশেষ ট্রাভেল সাপোর্ট ডেস্কও চালু করা হয়েছে।
২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এখন শেষ পর্যায়ে। আজ সুপার এইটের শেষ ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ৪ ও ৫ মার্চ সেমিফাইনাল এবং ৮ মার্চ ফাইনাল অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 

























