ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন সরকার সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতা বাড়াতে ৭৯ হাজার কোটি রুপির একটি বিশাল প্রতিরক্ষা বাজেট অনুমোদন করেছে। গত ২৯ ডিসেম্বর নয়াদিল্লিতে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ‘ডিফেন্স অ্যাকুইজিশন কাউন্সিল’ (ডিএসি)-এর এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে তিন বাহিনীর প্রধান এবং চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ (সিডিএস) উপস্থিত ছিলেন।
এই বাজেটের একটি বড় অংশ ব্যয় করা হবে এমআরএসএএম (MRSAM) মিসাইল, এমকিউ-৯বি (MQ-9B) ড্রোন এবং অত্যাধুনিক প্রযুক্তির অস্ত্রশস্ত্র ক্রয়ে। বিশেষ করে ‘অপারেশন সিন্দুর’-এর অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে আকাশপথে নজরদারি ও সুরক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
এই প্রকল্পের আওতায় ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীকে পরবর্তী প্রজন্মের ‘এয়ারবর্ন আর্লি ওয়ার্নিং অ্যান্ড কন্ট্রোল’ (AEW&C) সিস্টেমে সজ্জিত করা হবে, যা মাটির বাহিনীর সাথে সমন্বয় এবং আকাশপথে শত্রুর গতিবিধি পর্যবেক্ষণে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে।
এছাড়া দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ‘নেত্র’ এবং ‘অ্যাস্ট্রা মার্ক-২’ মিসাইলের মতো সমরাস্ত্র সংগ্রহের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। বৈঠকে ‘আত্মনির্ভর ভারত’ গড়ার লক্ষ্যে দেশীয় অস্ত্রের রপ্তানি বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়। এই মেগা বাজেটের মাধ্যমে ভারত তার সামরিক শক্তিকে এমন এক উচ্চতায় নিয়ে যেতে চাইছে, যা প্রতিবেশী রাষ্ট্র পাকিস্তান, চীন এবং বাংলাদেশের কৌশলগত অবস্থানের জন্য বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
রিপোর্টারের নাম 

























