ঢাকা ০৪:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

পুতিনের বাসভবনে ড্রোন হামলার অভিযোগ অস্বীকার করল ইউক্রেন

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:০২:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের একটি সরকারি বাসভবনে ইউক্রেন ড্রোন হামলা চালিয়েছে— এমন অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছেন প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, শান্তি আলোচনা ভেস্তে দিতেই মস্কো এ ধরনের দাবি তুলছে। রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) রাতভর পুতিনের বাসভবন লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানো হয় বলে দাবি করেন রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।

ল্যাভরভ দাবি করেন, ইউক্রেন পুতিনের বাসভবন লক্ষ্য করে ৯১টি দূরপাল্লার ড্রোন হামলা চালিয়েছে। বাসভবনটি রাশিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় নোভগোরোদ অঞ্চলে অবস্থিত বলে তিনি জানান।

এই অভিযোগের পর রাশিয়া শান্তি আলোচনায় নিজেদের অবস্থান পুনর্বিবেচনার ইঙ্গিত দিয়েছে। তবে অভিযোগের সময় পুতিন ওই বাসভবনে ছিলেন কিনা, সে বিষয়ে নিশ্চিত কিছু জানায়নি মস্কো।

ল্যাভরভ বলেন, এই হামলার ফলে ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে চলমান শান্তি আলোচনায় রাশিয়ার অবস্থান পুনর্বিবেচনা করা হবে। হামলায় কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানি হয়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই হামলার জবাবে রুশ বাহিনী পাল্টা হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

জেলেনস্কি এই অভিযোগকে ‘রাশিয়ার চিরাচরিত মিথ্যাচার’ বলে উড়িয়ে দেন। তিনি বলেন, ইউক্রেনে হামলা চালিয়ে যাওয়ার অজুহাত তৈরি করতেই ক্রেমলিন এ ধরনের গল্প ছড়াচ্ছে। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, এর আগেও রাশিয়া কিয়েভে সরকারি ভবন লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় জেলেনস্কি বলেন, এ মুহূর্তে বিশ্ববাসীর নীরব থাকা বিপজ্জনক। স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাকে দুর্বল করতে রাশিয়াকে আমরা সুযোগ দিতে পারি না।

টেলিগ্রামে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ল্যাভরভ দাবি করেন, পুতিনের বাসভবনের দিকে ছোড়া ৯১টি ড্রোনই রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভূপাতিত করেছে। তিনি বলেন, এতে কোনও হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

ল্যাভরভ আরও বলেন, অপরাধী কিয়েভ সরকার রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদের পথে নেমেছে। এ কারণে রাশিয়ার আলোচনার অবস্থান নতুন করে পর্যালোচনা করা হবে।

তবে তিনি যোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান আলোচনা থেকে রাশিয়া সরে যাবে না।

এই অভিযোগ এসেছে ফ্লোরিডায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইউক্রেনের মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকের পরপরই। ওই বৈঠকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও জেলেনস্কি যুদ্ধ অবসানে একটি সংশোধিত শান্তি পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন।

বৈঠকের পর জেলেনস্কি ফক্স নিউজকে বলেন, ২০২৬ সালের মধ্যে যুদ্ধ শেষ হওয়ার ‘সম্ভাবনা’ রয়েছে। তবে তিনি স্পষ্ট করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন ছাড়া ইউক্রেনের পক্ষে এই যুদ্ধ জেতা সম্ভব নয়।

জেলেনস্কি বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞা ও অর্থনৈতিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত দেখেই বোঝা যায়, তিনি খুব কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে প্রস্তুত। এই অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্র দ্রুত পরিস্থিতিকে শান্তির দিকে নিতে পারে।

তিনি আরও বলেন, পুতিন শান্তি চান—এমন কোনও লক্ষণ তিনি দেখছেন না এবং রুশ প্রেসিডেন্টের ওপর তার কোনও আস্থা নেই।

জেলেনস্কির ভাষায়, আমি পুতিনকে বিশ্বাস করি না। তিনি ইউক্রেনের সফলতা চান না।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জানান, যুক্তরাষ্ট্র ১৫ বছরের নিরাপত্তা নিশ্চয়তার প্রস্তাব দিয়েছে এবং ট্রাম্প বলেছেন, এই বিষয়ে চুক্তি প্রায় ৯৫ শতাংশ সম্পন্ন।

তবে ভূখণ্ড সংক্রান্ত প্রশ্ন এবং রাশিয়ার দখলে থাকা জাপোরিঝঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ভবিষ্যৎ এখনো অমীমাংসিত। দোনবাস অঞ্চল নিয়েও তেমন অগ্রগতি হয়নি। রাশিয়া এই অঞ্চল পুরোপুরি দখল করতে চায়।

বর্তমানে রাশিয়া দোনেৎস্ক অঞ্চলের প্রায় ৭৫ শতাংশ এবং পার্শ্ববর্তী লুহানস্ক অঞ্চলের প্রায় ৯৯ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করছে। এই দুই অঞ্চল মিলেই দোনবাস নামে পরিচিত।

এর আগে রাশিয়া আলোচনায় থাকা পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি অংশ প্রত্যাখ্যান করেছিল।

এদিকে, হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ইউক্রেন-যুক্তরাষ্ট্র বৈঠকের পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে একটি ইতিবাচক ফোনালাপ করেছেন।

ক্রেমলিনের পররাষ্ট্রনীতি উপদেষ্টা ইউরি উশাকভ সাংবাদিকদের বলেন, ফোনালাপে পুতিন উল্লেখ করেন—তার বাসভবনে কথিত ড্রোন হামলাটি যুক্তরাষ্ট্র যেটিকে সফল আলোচনা বলে মনে করেছিল, তার ঠিক পরেই ঘটেছে।

উশাকভের ভাষায়, এই তথ্য শুনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিস্মিত হন এবং ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি বলেন, এমন উন্মত্ত কাজ তিনি বিশ্বাস করতে পারছেন না। এবং এটি নিঃসন্দেহে জেলেনস্কির সঙ্গে কাজ করার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানকে প্রভাবিত করবে।

পরে এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প প্রথমে বলেন, তিনি এ ঘটনার বিষয়ে জানতেন না। পরে আবার জানান, পুতিনই তাকে বিষয়টি জানিয়েছেন এবং তিনি এতে খুবই ক্ষুব্ধ।

রাশিয়ার দাবির পক্ষে যুক্তরাষ্ট্র কোনও প্রমাণ দেখেছে কি না—এমন প্রশ্নে ট্রাম্প বলেন, আমরা খতিয়ে দেখব। হতে পারে হামলাটা আদৌ ঘটেনি—এটাও সম্ভব। কিন্তু প্রেসিডেন্ট পুতিন আজ সকালে আমাকে বলেছেন যে এটা ঘটেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিসিবির ‘ক্যাপ্টেনস কার্ড’: সাবেক ও বর্তমান অধিনায়কদের জন্য বিশেষ সম্মান ও চিকিৎসা সুবিধা

পুতিনের বাসভবনে ড্রোন হামলার অভিযোগ অস্বীকার করল ইউক্রেন

আপডেট সময় : ১০:০২:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের একটি সরকারি বাসভবনে ইউক্রেন ড্রোন হামলা চালিয়েছে— এমন অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছেন প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, শান্তি আলোচনা ভেস্তে দিতেই মস্কো এ ধরনের দাবি তুলছে। রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) রাতভর পুতিনের বাসভবন লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানো হয় বলে দাবি করেন রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।

ল্যাভরভ দাবি করেন, ইউক্রেন পুতিনের বাসভবন লক্ষ্য করে ৯১টি দূরপাল্লার ড্রোন হামলা চালিয়েছে। বাসভবনটি রাশিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় নোভগোরোদ অঞ্চলে অবস্থিত বলে তিনি জানান।

এই অভিযোগের পর রাশিয়া শান্তি আলোচনায় নিজেদের অবস্থান পুনর্বিবেচনার ইঙ্গিত দিয়েছে। তবে অভিযোগের সময় পুতিন ওই বাসভবনে ছিলেন কিনা, সে বিষয়ে নিশ্চিত কিছু জানায়নি মস্কো।

ল্যাভরভ বলেন, এই হামলার ফলে ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে চলমান শান্তি আলোচনায় রাশিয়ার অবস্থান পুনর্বিবেচনা করা হবে। হামলায় কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানি হয়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই হামলার জবাবে রুশ বাহিনী পাল্টা হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

জেলেনস্কি এই অভিযোগকে ‘রাশিয়ার চিরাচরিত মিথ্যাচার’ বলে উড়িয়ে দেন। তিনি বলেন, ইউক্রেনে হামলা চালিয়ে যাওয়ার অজুহাত তৈরি করতেই ক্রেমলিন এ ধরনের গল্প ছড়াচ্ছে। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, এর আগেও রাশিয়া কিয়েভে সরকারি ভবন লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় জেলেনস্কি বলেন, এ মুহূর্তে বিশ্ববাসীর নীরব থাকা বিপজ্জনক। স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাকে দুর্বল করতে রাশিয়াকে আমরা সুযোগ দিতে পারি না।

টেলিগ্রামে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ল্যাভরভ দাবি করেন, পুতিনের বাসভবনের দিকে ছোড়া ৯১টি ড্রোনই রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভূপাতিত করেছে। তিনি বলেন, এতে কোনও হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

ল্যাভরভ আরও বলেন, অপরাধী কিয়েভ সরকার রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদের পথে নেমেছে। এ কারণে রাশিয়ার আলোচনার অবস্থান নতুন করে পর্যালোচনা করা হবে।

তবে তিনি যোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান আলোচনা থেকে রাশিয়া সরে যাবে না।

এই অভিযোগ এসেছে ফ্লোরিডায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইউক্রেনের মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকের পরপরই। ওই বৈঠকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও জেলেনস্কি যুদ্ধ অবসানে একটি সংশোধিত শান্তি পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন।

বৈঠকের পর জেলেনস্কি ফক্স নিউজকে বলেন, ২০২৬ সালের মধ্যে যুদ্ধ শেষ হওয়ার ‘সম্ভাবনা’ রয়েছে। তবে তিনি স্পষ্ট করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন ছাড়া ইউক্রেনের পক্ষে এই যুদ্ধ জেতা সম্ভব নয়।

জেলেনস্কি বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞা ও অর্থনৈতিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত দেখেই বোঝা যায়, তিনি খুব কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে প্রস্তুত। এই অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্র দ্রুত পরিস্থিতিকে শান্তির দিকে নিতে পারে।

তিনি আরও বলেন, পুতিন শান্তি চান—এমন কোনও লক্ষণ তিনি দেখছেন না এবং রুশ প্রেসিডেন্টের ওপর তার কোনও আস্থা নেই।

জেলেনস্কির ভাষায়, আমি পুতিনকে বিশ্বাস করি না। তিনি ইউক্রেনের সফলতা চান না।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জানান, যুক্তরাষ্ট্র ১৫ বছরের নিরাপত্তা নিশ্চয়তার প্রস্তাব দিয়েছে এবং ট্রাম্প বলেছেন, এই বিষয়ে চুক্তি প্রায় ৯৫ শতাংশ সম্পন্ন।

তবে ভূখণ্ড সংক্রান্ত প্রশ্ন এবং রাশিয়ার দখলে থাকা জাপোরিঝঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ভবিষ্যৎ এখনো অমীমাংসিত। দোনবাস অঞ্চল নিয়েও তেমন অগ্রগতি হয়নি। রাশিয়া এই অঞ্চল পুরোপুরি দখল করতে চায়।

বর্তমানে রাশিয়া দোনেৎস্ক অঞ্চলের প্রায় ৭৫ শতাংশ এবং পার্শ্ববর্তী লুহানস্ক অঞ্চলের প্রায় ৯৯ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করছে। এই দুই অঞ্চল মিলেই দোনবাস নামে পরিচিত।

এর আগে রাশিয়া আলোচনায় থাকা পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি অংশ প্রত্যাখ্যান করেছিল।

এদিকে, হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ইউক্রেন-যুক্তরাষ্ট্র বৈঠকের পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে একটি ইতিবাচক ফোনালাপ করেছেন।

ক্রেমলিনের পররাষ্ট্রনীতি উপদেষ্টা ইউরি উশাকভ সাংবাদিকদের বলেন, ফোনালাপে পুতিন উল্লেখ করেন—তার বাসভবনে কথিত ড্রোন হামলাটি যুক্তরাষ্ট্র যেটিকে সফল আলোচনা বলে মনে করেছিল, তার ঠিক পরেই ঘটেছে।

উশাকভের ভাষায়, এই তথ্য শুনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিস্মিত হন এবং ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি বলেন, এমন উন্মত্ত কাজ তিনি বিশ্বাস করতে পারছেন না। এবং এটি নিঃসন্দেহে জেলেনস্কির সঙ্গে কাজ করার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানকে প্রভাবিত করবে।

পরে এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প প্রথমে বলেন, তিনি এ ঘটনার বিষয়ে জানতেন না। পরে আবার জানান, পুতিনই তাকে বিষয়টি জানিয়েছেন এবং তিনি এতে খুবই ক্ষুব্ধ।

রাশিয়ার দাবির পক্ষে যুক্তরাষ্ট্র কোনও প্রমাণ দেখেছে কি না—এমন প্রশ্নে ট্রাম্প বলেন, আমরা খতিয়ে দেখব। হতে পারে হামলাটা আদৌ ঘটেনি—এটাও সম্ভব। কিন্তু প্রেসিডেন্ট পুতিন আজ সকালে আমাকে বলেছেন যে এটা ঘটেছে।