ঢাকা ০৯:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রাবেয়া খাতুন, সৈয়দ শামসুল হক ও রিজিয়া রহমানের জন্মদিবস উদযাপন

বাংলা সাহিত্যের তিন উজ্জ্বল নক্ষত্র— কথাসাহিত্যিক রাবেয়া খাতুন, সৈয়দ শামসুল হক এবং রিজিয়া রহমানের জন্মদিবস উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য স্মরণ সভার আয়োজন করেছে রাবেয়া খাতুন ফাউন্ডেশন। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) বিকাল চারটায় রাজধানীর বনানীতে ফাউন্ডেশন কার্যালয়ে গান, কবিতা, পাঠ ও আলোচনার মধ্য দিয়ে বরেণ্য এই তিন সাহিত্যিককে শ্রদ্ধা জানানো হয়। 

বিশিষ্ট অভিনেতা ও নির্মাতা আফজাল হোসেনের সঞ্চালনায় শিল্পী জয়িতার রবীন্দ্রসঙ্গীতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর তিন বরেণ্য সাহিত্যিকের অমর সৃষ্টি থেকে পাঠ করেন দেশবরেণ্য আবৃত্তিশল্পী শিমুল মুস্তাফা এবং বিশিষ্ট অভিনেত্রী ও আবৃত্তি শিল্পী ত্রপা মজুমদার। 

অনুষ্ঠানে কথাসাহিত্যিক ও সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন বলেন, “বাংলা সাহিত্যের এই তিন কথাসাহিত্যিককে আমার শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। তাদের অবদান বাংলার সাহিত্যে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। বিশেষ করে রিজিয়া রহমান যেই মাপের লেখক ছিলেন, তাকে সেই মর্যাদা কতটুকু দিতে পেরেছি সেটা ভাববার বিষয়। সৈয়দ শামসুল হক দেশবরেণ্য কথাসাহিত্যিক ছিলেন। অন্যদিকে সাহিত্য অঙ্গনে রিজিয়া রহমানের অবদানও কোন অংশে কম নয়।” 

রাবেয়া খাতুন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান কেকা ফেরদৌসী বলেন, “আমার আম্মা রাবেয়া খাতুন, সৈয়দ হক আংকেল ও রিজিয়া খালা খুব ভালো বন্ধু ছিলেন। জীবদ্দশায় আম্মার মুখে তাদের বন্ধুত্বের অনেক গল্প শুনেছি। আজ তারা কেউ এ দুনিয়ায় নেই। আগে কেবল আম্মা আর শামসুল হকের জন্মদিবস উদযাপন করলেও এই প্রথম তিনজনের জন্মদিবস একসঙ্গে উদযাপন করা হয়েছে।” ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।  

কেকা ফেরদৌসী আরও জানান, রাবেয়া খাতুনের জন্মদিবস উপলক্ষে এদিন চ্যানেল আই কার্যালয়ে দেড় শতাধিক মানুষকে আহার করানো হয়েছে। পাশাপাশি তরুণ প্রজন্ম কেন সাহিত্য থেকে বিমুখ হচ্ছে এবং তাদের কীভাবে আবারও সাহিত্যের জগতে ফিরিয়ে আনা যায়, সে বিষয়ে উপস্থিত বিশিষ্টজনদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। 

স্মরণ সভায় আরও বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট অভিনেত্রী ও নির্মাতা আফসানা মিমি, কথাসাহিত্যিক স্বকৃত নোমান, কথাসাহিত্যিক ও সমালোচক মোজাফফর হোসেনসহ গুণিজনেরা। বক্তারা বলেন, এই তিন সাহিত্যিকের লেখনী বাংলা সাহিত্যকে অনেকদূর এগিয়ে নিয়েছে। আজ তারা নেই, কিন্তু তাদের কর্ম সাহিত্যাঙ্গনে জ্বলজ্বল করছে। 

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সেমিফাইনালের স্বপ্ন জিইয়ে রাখার লড়াই: শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি পাকিস্তান, সামনে পাহাড়সম সমীকরণ

রাবেয়া খাতুন, সৈয়দ শামসুল হক ও রিজিয়া রহমানের জন্মদিবস উদযাপন

আপডেট সময় : ০৭:৫৭:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫

বাংলা সাহিত্যের তিন উজ্জ্বল নক্ষত্র— কথাসাহিত্যিক রাবেয়া খাতুন, সৈয়দ শামসুল হক এবং রিজিয়া রহমানের জন্মদিবস উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য স্মরণ সভার আয়োজন করেছে রাবেয়া খাতুন ফাউন্ডেশন। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) বিকাল চারটায় রাজধানীর বনানীতে ফাউন্ডেশন কার্যালয়ে গান, কবিতা, পাঠ ও আলোচনার মধ্য দিয়ে বরেণ্য এই তিন সাহিত্যিককে শ্রদ্ধা জানানো হয়। 

বিশিষ্ট অভিনেতা ও নির্মাতা আফজাল হোসেনের সঞ্চালনায় শিল্পী জয়িতার রবীন্দ্রসঙ্গীতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর তিন বরেণ্য সাহিত্যিকের অমর সৃষ্টি থেকে পাঠ করেন দেশবরেণ্য আবৃত্তিশল্পী শিমুল মুস্তাফা এবং বিশিষ্ট অভিনেত্রী ও আবৃত্তি শিল্পী ত্রপা মজুমদার। 

অনুষ্ঠানে কথাসাহিত্যিক ও সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন বলেন, “বাংলা সাহিত্যের এই তিন কথাসাহিত্যিককে আমার শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। তাদের অবদান বাংলার সাহিত্যে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। বিশেষ করে রিজিয়া রহমান যেই মাপের লেখক ছিলেন, তাকে সেই মর্যাদা কতটুকু দিতে পেরেছি সেটা ভাববার বিষয়। সৈয়দ শামসুল হক দেশবরেণ্য কথাসাহিত্যিক ছিলেন। অন্যদিকে সাহিত্য অঙ্গনে রিজিয়া রহমানের অবদানও কোন অংশে কম নয়।” 

রাবেয়া খাতুন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান কেকা ফেরদৌসী বলেন, “আমার আম্মা রাবেয়া খাতুন, সৈয়দ হক আংকেল ও রিজিয়া খালা খুব ভালো বন্ধু ছিলেন। জীবদ্দশায় আম্মার মুখে তাদের বন্ধুত্বের অনেক গল্প শুনেছি। আজ তারা কেউ এ দুনিয়ায় নেই। আগে কেবল আম্মা আর শামসুল হকের জন্মদিবস উদযাপন করলেও এই প্রথম তিনজনের জন্মদিবস একসঙ্গে উদযাপন করা হয়েছে।” ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।  

কেকা ফেরদৌসী আরও জানান, রাবেয়া খাতুনের জন্মদিবস উপলক্ষে এদিন চ্যানেল আই কার্যালয়ে দেড় শতাধিক মানুষকে আহার করানো হয়েছে। পাশাপাশি তরুণ প্রজন্ম কেন সাহিত্য থেকে বিমুখ হচ্ছে এবং তাদের কীভাবে আবারও সাহিত্যের জগতে ফিরিয়ে আনা যায়, সে বিষয়ে উপস্থিত বিশিষ্টজনদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। 

স্মরণ সভায় আরও বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট অভিনেত্রী ও নির্মাতা আফসানা মিমি, কথাসাহিত্যিক স্বকৃত নোমান, কথাসাহিত্যিক ও সমালোচক মোজাফফর হোসেনসহ গুণিজনেরা। বক্তারা বলেন, এই তিন সাহিত্যিকের লেখনী বাংলা সাহিত্যকে অনেকদূর এগিয়ে নিয়েছে। আজ তারা নেই, কিন্তু তাদের কর্ম সাহিত্যাঙ্গনে জ্বলজ্বল করছে।