ঢাকা ০৯:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

শ্রম সংস্কারের জন্য বাংলাদেশের প্রশংসা আইএলও মহাপরিচালকের

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:০৩:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৬ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ সরকার বিস্তৃত শ্রম সংস্কারের জন্য আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) প্রশংসা অর্জন করেছে।

বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) একটি চিঠিতে আইএলওর মহাপরিচালক গিলবার্ট এফ. হাউংবো “এই বিকাশের স্পষ্ট রূপরেখার” জন্য তার প্রশংসা প্রকাশ করেন। এর আগে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী তাকে শ্রম সংস্কার বিষয়ে অগ্রগতি জানিয়েছিলেন।  

মহাপরিচালক হাউংবো তার চিঠিতে লিখেছেন, “আমি বাংলাদেশ সরকারের শ্রম সংস্কারের প্রচেষ্টার প্রশংসা করতে চাই। বিশেষ করে বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৫-এ প্রবর্তিত উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপগুলোকে স্বীকৃতি দিচ্ছি।” 

এর আগে ২১ নভেম্বর বাংলাদেশের পক্ষ থেকে লুৎফে সিদ্দিকী তার কাছে অগ্রগতি সম্পর্কে জানান। সেখানে শ্রমিক সংগঠনের স্বাধীনতা, সম্মিলিত দরকষাকষি, সামাজিক সংলাপ এবং কাজের শর্তাবলীসহ শ্রমিকদের অধিকারের প্রতি পদক্ষেপের বিশদ বিবরণ দেওয়া হয়।

মহাপরিচালক হাউংবো সাম্প্রতিক সময়ে পেশাগত নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য এবং সহিংসতা ও হয়রানি-বিষয়ক অতিরিক্ত কনভেনশন অনুমোদনের বিষয়টিকে ‘আরেকটি ঐতিহাসিক মাইলফলক’ হিসেবে উল্লেখ করেন। 

অনুমোদনের দলিলগুলো গত ২০ নভেম্বর জেনেভায় শ্রম উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (আর) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন জমা দিয়েছিলেন।

লুৎফে সিদ্দিকী তার চিঠিতে উল্লেখ করেন, “এই পদক্ষেপগুলো অপরিবর্তনীয়ভাবে দেশের শ্রমের মানকে অনেক উচ্চতর স্তরে নিয়ে যাবে।” 

মহাপরিচালক হাউংবো এই প্রক্রিয়াজুড়ে কারিগরি সহায়তা দেওয়ার মাধ্যমে সরকার, শ্রমিক এবং নিয়োগকর্তা সংস্থাগুলোকে সহায়তা করার জন্য আইএলওর প্রতি আস্থা রাখার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজনীতিকদের ‘বেফাঁস’ মন্তব্য: জনমানসে বিরূপ প্রভাব ও ইতিহাসের শিক্ষা

শ্রম সংস্কারের জন্য বাংলাদেশের প্রশংসা আইএলও মহাপরিচালকের

আপডেট সময় : ০৬:০৩:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশ সরকার বিস্তৃত শ্রম সংস্কারের জন্য আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) প্রশংসা অর্জন করেছে।

বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) একটি চিঠিতে আইএলওর মহাপরিচালক গিলবার্ট এফ. হাউংবো “এই বিকাশের স্পষ্ট রূপরেখার” জন্য তার প্রশংসা প্রকাশ করেন। এর আগে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী তাকে শ্রম সংস্কার বিষয়ে অগ্রগতি জানিয়েছিলেন।  

মহাপরিচালক হাউংবো তার চিঠিতে লিখেছেন, “আমি বাংলাদেশ সরকারের শ্রম সংস্কারের প্রচেষ্টার প্রশংসা করতে চাই। বিশেষ করে বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৫-এ প্রবর্তিত উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপগুলোকে স্বীকৃতি দিচ্ছি।” 

এর আগে ২১ নভেম্বর বাংলাদেশের পক্ষ থেকে লুৎফে সিদ্দিকী তার কাছে অগ্রগতি সম্পর্কে জানান। সেখানে শ্রমিক সংগঠনের স্বাধীনতা, সম্মিলিত দরকষাকষি, সামাজিক সংলাপ এবং কাজের শর্তাবলীসহ শ্রমিকদের অধিকারের প্রতি পদক্ষেপের বিশদ বিবরণ দেওয়া হয়।

মহাপরিচালক হাউংবো সাম্প্রতিক সময়ে পেশাগত নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য এবং সহিংসতা ও হয়রানি-বিষয়ক অতিরিক্ত কনভেনশন অনুমোদনের বিষয়টিকে ‘আরেকটি ঐতিহাসিক মাইলফলক’ হিসেবে উল্লেখ করেন। 

অনুমোদনের দলিলগুলো গত ২০ নভেম্বর জেনেভায় শ্রম উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (আর) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন জমা দিয়েছিলেন।

লুৎফে সিদ্দিকী তার চিঠিতে উল্লেখ করেন, “এই পদক্ষেপগুলো অপরিবর্তনীয়ভাবে দেশের শ্রমের মানকে অনেক উচ্চতর স্তরে নিয়ে যাবে।” 

মহাপরিচালক হাউংবো এই প্রক্রিয়াজুড়ে কারিগরি সহায়তা দেওয়ার মাধ্যমে সরকার, শ্রমিক এবং নিয়োগকর্তা সংস্থাগুলোকে সহায়তা করার জন্য আইএলওর প্রতি আস্থা রাখার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।