ঢাকা ০৭:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

যেকোনও মূল্যে মুক্তিযুদ্ধের অর্জন ধরে রাখতে হবে: জাতীয় পার্টির একাংশের বিবৃতি

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৭:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৪ বার পড়া হয়েছে

দেশবাসীকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির একাংশ ও জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এবং মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার।

সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) যৌথ বিবৃতিতে তারা বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদ এবং ২ লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর আমরা বিজয় অর্জন করেছি।

যেকোনও মূল্যে মুক্তিযুদ্ধের অর্জন ধরে রাখতে হবে এবং গৌরবময় মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রাখতে হবে।

কারণ মুক্তিযুদ্ধ আমাদের জাতির গৌরব, আত্মপরিচয় ও অস্তিত্ব। মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা অর্জন আমাদের জাতীয় জীবনের শ্রেষ্ঠ অর্জন।

বিবৃতিতে তারা আরও বলেন, যেকোনও মূল্যে জাতি হিসেবে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থেকে উদার গণতান্ত্রিক, সাম্য, মৈত্রী, প্রগতি ও বৈষম্যহীন একটি মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। যে বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন মহান মুক্তিযোদ্ধারা। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, স্বাধীনতার ৫৪ বছরেও আমরা সেই স্বপ্নের বাংলাদেশ এখনও প্রতিষ্ঠা করতে পারিনি।

জাতীয় পার্টির নেতারা বলেন, হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকাকালীন সময় ঘোষণা করেছিলেন— মুক্তিযোদ্ধারাই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সন্তান। তিনি সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ ও বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ সম্প্রসারণ করেছিলেন এবং দেশের প্রতিটি জেলায় মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের জন্য জমি বরাদ্দ দিয়েছিলেন। মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে তিনি অসামান্য অবদান রেখে গেছেন। একইসঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্নের বাংলাদেশ বিনির্মাণে তিনি অনন্য অবদান রেখেছিলেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ক্রেডিট কার্ড গ্রাহকদের বিমা সুবিধা দিতে ন্যাশনাল ব্যাংক ও ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্সের চুক্তি

যেকোনও মূল্যে মুক্তিযুদ্ধের অর্জন ধরে রাখতে হবে: জাতীয় পার্টির একাংশের বিবৃতি

আপডেট সময় : ০৩:৫৭:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫

দেশবাসীকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির একাংশ ও জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এবং মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার।

সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) যৌথ বিবৃতিতে তারা বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদ এবং ২ লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর আমরা বিজয় অর্জন করেছি।

যেকোনও মূল্যে মুক্তিযুদ্ধের অর্জন ধরে রাখতে হবে এবং গৌরবময় মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রাখতে হবে।

কারণ মুক্তিযুদ্ধ আমাদের জাতির গৌরব, আত্মপরিচয় ও অস্তিত্ব। মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা অর্জন আমাদের জাতীয় জীবনের শ্রেষ্ঠ অর্জন।

বিবৃতিতে তারা আরও বলেন, যেকোনও মূল্যে জাতি হিসেবে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থেকে উদার গণতান্ত্রিক, সাম্য, মৈত্রী, প্রগতি ও বৈষম্যহীন একটি মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। যে বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন মহান মুক্তিযোদ্ধারা। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, স্বাধীনতার ৫৪ বছরেও আমরা সেই স্বপ্নের বাংলাদেশ এখনও প্রতিষ্ঠা করতে পারিনি।

জাতীয় পার্টির নেতারা বলেন, হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকাকালীন সময় ঘোষণা করেছিলেন— মুক্তিযোদ্ধারাই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সন্তান। তিনি সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ ও বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ সম্প্রসারণ করেছিলেন এবং দেশের প্রতিটি জেলায় মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের জন্য জমি বরাদ্দ দিয়েছিলেন। মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে তিনি অসামান্য অবদান রেখে গেছেন। একইসঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্নের বাংলাদেশ বিনির্মাণে তিনি অনন্য অবদান রেখেছিলেন।