নিরাপত্তাজনিত কারণে সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের কোর্ট রুমে (এজলাস কক্ষে) আইনজীবী ব্যতীত বিচারপ্রার্থী কিংবা অপ্রত্যাশিত যেকোনও ব্যক্তির প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ করেছে প্রশাসন।
রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী সাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, উপর্যুক্ত বিষয়ের পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট সবার অবগতি ও দৃষ্টিগোচর করানো যাচ্ছে যে, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট দেশের বিচার অঙ্গনের সর্বোচ্চ স্থান এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হিসেবে বিবেচিত। বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি এবং সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারপতিগণ বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে বিচারকার্য পরিচালনা করে থাকেন। ফলে বাংলাদেশে প্রধান বিচারপতি, সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারপতিগণ, মামলা পরিচালনায় নিযুক্ত আইনজীবীসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হিসেবে সুপ্রিম কোর্টের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ জরুরি।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, অত্র আদালতে আগত কিছু বিচারপ্রার্থী, মামলা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং অপ্রত্যাশিত ব্যক্তিবর্গ সুপ্রিম কোর্টের এজলাসে প্রবেশ করছেন যা আদালতের নিরাপত্তা, শান্তিপূর্ণ পরিবেশ এবং বিচারকার্য পরিচালনায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। এতে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারপতিগণ, বিজ্ঞ আইনজীবী এবং কর্মকর্তা- কর্মচারীদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে।
এমতাবস্থায়, নিরাপত্তাজনিত কারণে সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের কোর্ট রুমে (এজলাস কক্ষে) আইনজীবী ব্যতীত বিচারপ্রার্থী কিংবা অপ্রত্যাশিত যেকোনও ব্যক্তির প্রবেশাধিকার সীমিত/নিয়ন্ত্রিত থাকবে। পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে যেকোনও সমাবেশ, মিছিল, বৈধ ও অবৈধ যেকোনও প্রকার অস্ত্র, মারণাস্ত্র, বিস্ফোরক ও মাদকদ্রব্য বহন সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা হলো। এ আদেশ ১৫ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হবে এবং আগামী ৩১ ডিসেম্বর (বুধবার) পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
এই নির্দেশ লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বিজ্ঞ আইনজীবী, আইনজীবী সহকারী, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বিচার প্রার্থীদের এ বিষয়ে সচেতন থাকার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলো মর্মেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 




















