পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ও নারী কৃষকদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা জরুরি। পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর স্বীকৃতি দেশের দীর্ঘমেয়াদী কৃষি ও পরিবেশ বিপর্যয় প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ।
শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) এএলআরডি, বেলা ও ওয়াটার রাইটস ফোরামের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক জাতীয় সম্মেলনে এসব কথা বলেন বক্তারা।
‘নদী, বন, পাহাড়, কৃষিজমি, পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সম্পদের সুরক্ষা’ বিষয়ে আগারগাঁওয়ের পর্যটন ভবনে দুই দিনব্যাপী এই জাতীয় সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।
সম্মেলনে বিচারপতি আইনুন্নাহার সিদ্দিকা বলেন, ‘কৃষিজমিতে অবকাঠামো নির্মাণের কারণে কৃষিজমি কমে যাচ্ছে এবং পরিবেশ সুরক্ষায় বাংলাদেশ একদম পেছনের সারিতে অবস্থান করছে। পরিবেশ সম্পর্কে ব্যাপক সচেতনতা আমাদের এই বিপর্যয় থেকে রক্ষা করতে পারে।’
সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ান, সভাপতিত্ব করেন এএলআরডি’র নির্বাহী পরিচালক শামসুল হুদা এবং স্বাগত বক্তব্য রাখেন বেলার প্রধান নির্বাহী অ্যাডভোকেট তাসলিমা ইসলাম।
কৃষি সচিব ড. মুহম্মদ এমদাদুল্লাহ মিয়ান বলেন, ‘পরিবেশ বিপর্যয় সম্পর্কে সচেতনতা ও তথ্য-উপাত্ত জানা গুরুত্বপূর্ণ।’ তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের কৃষি বর্তমানে একটি রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং প্রকৃত কৃষিজীবীদের অধিক হারে সম্পৃক্ত করতে কৃষি মন্ত্রণালয় কাজ করছে।’
তাসলিমা ইসলাম বলেন, ‘আমরা নদী, বন, পাহাড় ও কৃষিজমিসহ প্রাকৃতিক সম্পদ প্রতিদিন হারিয়ে ফেলছি, ফলে প্রান্তিক মানুষরাই বেশি বঞ্চিত হচ্ছেন।’
উদ্বোধনী সেশনের সমাপনী বক্তব্যে শামসুল হুদা বলেন, ‘বন, পাহাড়, নদী ও প্রাকৃতিক সম্পদের সুরক্ষায় নারীরা একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার, তাই নারী কৃষকদের স্বীকৃতি নিশ্চিত করা জরুরি।’
রিপোর্টারের নাম 























