প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ বলেছেন, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের উদ্বোধনের মাধ্যমে আজ থেকে এর সাফল্য যেমন আমরা উপভোগ করবো তেমনই এর ব্যর্থতার দায়ভারও আমাদের।
বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) বিকাল ৩টা ২০ মিনিটে সুপ্রিম কোর্টের প্রশাসনিক ভবন-৪ এ অবস্থিত সুপ্রীম কোর্ট সচিবালয় উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় উদ্বোধনকালে প্রধান বিচারপতি আজকের দিনটিকে একটি ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, আজকের এই সাফল্য সম্ভব হয়েছে আমাদের সবার সমন্বিত সহযোগিতা ও প্রচেষ্টার মাধ্যমে।
তিনি বলেন, সচিবালয় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বিচারকাজ ও বিচারব্যবস্থা পরিচালনার সাংবিধানিক ক্ষমতা সুপ্রিম কোর্টের হাতে ন্যাস্ত হয়েছে। আজ থেকে এর সাফল্য যেমন আমরা উপভোগ করবো তেমনই এর ব্যর্থতার দায়ভারও আমাদের ওপর বর্তাবে। আগামীতে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়, আইনের শাসন ও গণতন্ত্রের যাত্রা যেন অটুট থাকে এ জন্য তিনি রাজনৈতিক দলসহ সব অংশীজনের প্রতি আহ্বান জানান।
এ সময় আরও ছিলেন– আপিল বিভাগের বিচারপতি, অন্তর্বর্তী সরকারের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত, বাংলাদেশে নিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূত, ইউএনডিপির রেসিডেন্ট রিপ্রেজেনটেটিভ, বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল, সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব, আইন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, আমন্ত্রিত আইনজীবী এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় ও সুপ্রিম কোর্ট রেজিস্ট্রির কর্মকর্তারা।
প্রসঙ্গত, বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সুপ্রিম কোর্টের জন্য একটি পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করতে ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করা হয়। গত ৩০ নভেম্বর রাষ্ট্রপতির নির্দেশে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে এ অধ্যাদেশ জারি করা হয়। এরপর চলতি বছরের গত ১ ডিসেম্বর প্রধান বিচারপতি পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দকীকে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের সচিব হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব অর্পণ করেন।
রিপোর্টারের নাম 

























