ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মারুফা আক্তার (৪৫) নামে এক নারীকে তার স্বামী হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (২ নভেম্বর) সকালে সদর উপজেলার নাটাই উত্তর ইউনিয়নের বিরাসার গ্রামের একটি বসতঘর থেকে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত স্বামী কুদ্দুস মিয়া পলাতক রয়েছেন। নিহত মারুফা সদর উপজেলার উলচাপাড়া গ্রামের তাহের মিয়ার মেয়ে এবং কুদ্দুসের তৃতীয় স্ত্রী ছিলেন। গত এক মাস আগে তাদের বিয়ে হয়েছিল।
পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন জানান, কুদ্দুস একজন মাদকসেবী ছিলেন এবং প্রায়ই নেশাগ্রস্ত অবস্থায় স্ত্রীকে মারধর করতেন। গত রবিবার রাতেও কুদ্দুস তার স্ত্রীর কাছে টাকা চান। মারুফা টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে কুদ্দুস তাকে মারধর করেন। আজ সোমবার সকালে ঘরের ভেতর মারুফার কোনো সাড়াশব্দ পাওয়া যাচ্ছিল না। একপর্যায়ে স্থানীয়রা মোবাইল ফোনের রিংটোন শুনে ঘরের ভেতর ঢুকে মারুফার রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পান। পরে নিহতের পরিবার ও পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মারুফার মরদেহ উদ্ধার করে। পরিবারের অভিযোগ, মাদকাসক্ত স্বামী কুদ্দুস মিয়া নেশার টাকার জন্য মারুফাকে হত্যা করে পালিয়ে গেছেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খাইরুল আলম জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তাকে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে তার স্বামী পলাতক রয়েছেন এবং এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


























