গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার মীরগঞ্জ-গঙ্গার হাট ১৩ কিলোমিটার সড়কের মাত্র ৬০০ মিটার অংশ এখনো কাঁচা রয়ে গেছে। আর এই সামান্য অংশজুড়েই রয়েছে ছোট-বড় গর্ত ও খানাখন্দ। কোথাও কোথাও খালের পানিতে ধসে পড়েছে সড়কের অর্ধেক অংশ। ফলে প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছেন লাখো মানুষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মীরগঞ্জ-পাওটানা জিসি সড়কের মীরগঞ্জ-জিগাতলা অংশের পাকাকরণ কাজ হয়েছিল ২০০৩ সালে। তবে জিগাতলা থেকে চারমাথা বটতলা পর্যন্ত ৬০০ মিটার অংশ দীর্ঘকাল ধরে পাকা না হওয়ায় সেখানে অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। খালের ভাঙনে সড়কের একটি বড় অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ায় মোটরসাইকেল, বাইসাইকেল, ভ্যান ও অটোরিকশার মতো ছোট যানগুলো চরম ঝুঁকিতে চলাচল করছে। প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা, এমনকি অতীতে একজনের প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, কাঁচা ও ভাঙা এই সড়কে বিকল্প কোনো পথ না থাকায় চালক ও যাত্রীদের প্রতিনিয়ত আতঙ্ক নিয়ে চলতে হয়। বিশেষ করে বর্ষাকালে পুরো সড়কে কাদা জমে থাকায় যাতায়াত প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। পীরগাশার তাম্বুলপুর, কাউনিয়া, কুড়িগ্রামের রাজারহাট ও লালমনিরহাট যাওয়ার সংক্ষিপ্ত পথ হওয়ায় এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন অন্তত ৪ থেকে ৫ হাজার মানুষ যাতায়াত করেন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. ওবায়দুল রহমান মিঠু বলেন, মাঝেমধ্যে কৃষি পণ্যবাহী ও তেলের ড্রামবাহী যান খালের মধ্যে পড়ে যায়। ইতিপূর্বে অটোরিকশা দুর্ঘটনায় এক যাত্রীর প্রাণহানিও ঘটেছে। চরম আতঙ্ক নিয়ে মানুষকে এই পথ ব্যবহার করতে হয়।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী তপন কুমার চক্রবর্তী জানান, ক্ষতিগ্রস্ত ওই ৬০০ মিটার রাস্তা পাকাকরণের জন্য ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে চাহিদা পাঠানো হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।


























