ঢাকা ০৫:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও ইরানের সঙ্গে একটি শান্তি চুক্তির সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেছেন।

সোমবার ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটে ভাষণ দেওয়ার সময় ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে যদি কোনো ধরনের শান্তি চুক্তি করা সম্ভব হয়, তবে সেটি খুবই ইতিবাচক একটি পদক্ষেপ হবে। একই বক্তৃতায় তিনি মন্তব্য করেন যে, ইরানের সাধারণ মানুষ স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে চায়।

এ সময় তিনি ২০১৫ সালে ইরানের সঙ্গে সম্পাদিত পারমাণবিক চুক্তির জন্য পূর্বসূরি প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সমালোচনা করেন এবং ওই চুক্তিটিকে ‘বিপর্যয়’ বলে আখ্যা দেন।

তবে তিনি যোগ করেন, “তা সত্ত্বেও, ইরানের শাসকগোষ্ঠী, যাদের কর্মকাণ্ডের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে এতো প্রাণহানি ঘটেছে, তাদের প্রতি আমাদের বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার হাত উন্মুক্ত। তারা একটি চুক্তি করার আগ্রহ দেখাচ্ছে। আমরা দেখব যে এই বিষয়ে আমরা কিছু করতে পারি কি না।”

ইসরায়েলি আইনপ্রণেতারা অবশ্য তার এই বক্তব্য অত্যন্ত শান্ত ও নীরবতার সাথে গ্রহণ করেন।

দীর্ঘদিন ধরেই ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র এবং অন্যান্য পশ্চিমা রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে ইরানের মতবিরোধ চলছে। পশ্চিমা দেশগুলো দাবি করে আসছে যে, ইরান পারমাণবিক বোমা তৈরির কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। কিন্তু ইরান এই দাবি বারবার অস্বীকার করে বলেছে যে, তাদের পারমাণবিক বোমা তৈরির কোনো উদ্দেশ্য নেই। বরং তারা অন্যান্য দেশের মতোই শান্তিপূর্ণ বেসামরিক পারমাণবিক কর্মসূচি পরিচালনা করতে চায়।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এক মাসেই ৯ বার কাঁপল বাংলাদেশ: ঘন ঘন ভূমিকম্পে বাড়ছে উদ্বেগ, প্রস্তুতিতে জোরের তাগিদ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও ইরানের সঙ্গে একটি শান্তি চুক্তির সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেছেন।

আপডেট সময় : ০৭:০১:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৫

সোমবার ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটে ভাষণ দেওয়ার সময় ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে যদি কোনো ধরনের শান্তি চুক্তি করা সম্ভব হয়, তবে সেটি খুবই ইতিবাচক একটি পদক্ষেপ হবে। একই বক্তৃতায় তিনি মন্তব্য করেন যে, ইরানের সাধারণ মানুষ স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে চায়।

এ সময় তিনি ২০১৫ সালে ইরানের সঙ্গে সম্পাদিত পারমাণবিক চুক্তির জন্য পূর্বসূরি প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সমালোচনা করেন এবং ওই চুক্তিটিকে ‘বিপর্যয়’ বলে আখ্যা দেন।

তবে তিনি যোগ করেন, “তা সত্ত্বেও, ইরানের শাসকগোষ্ঠী, যাদের কর্মকাণ্ডের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে এতো প্রাণহানি ঘটেছে, তাদের প্রতি আমাদের বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার হাত উন্মুক্ত। তারা একটি চুক্তি করার আগ্রহ দেখাচ্ছে। আমরা দেখব যে এই বিষয়ে আমরা কিছু করতে পারি কি না।”

ইসরায়েলি আইনপ্রণেতারা অবশ্য তার এই বক্তব্য অত্যন্ত শান্ত ও নীরবতার সাথে গ্রহণ করেন।

দীর্ঘদিন ধরেই ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র এবং অন্যান্য পশ্চিমা রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে ইরানের মতবিরোধ চলছে। পশ্চিমা দেশগুলো দাবি করে আসছে যে, ইরান পারমাণবিক বোমা তৈরির কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। কিন্তু ইরান এই দাবি বারবার অস্বীকার করে বলেছে যে, তাদের পারমাণবিক বোমা তৈরির কোনো উদ্দেশ্য নেই। বরং তারা অন্যান্য দেশের মতোই শান্তিপূর্ণ বেসামরিক পারমাণবিক কর্মসূচি পরিচালনা করতে চায়।