ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশের (আইইউবি) বার্ষিক অ্যাকাডেমিক অ্যাওয়ার্ডস অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটরিয়ামে এ আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে ২০২৪ সালের অটাম সেমিস্টার পর্যন্ত সিজিপিএর হিসেবে যেসব শিক্ষার্থী ভালো ফল করেছেন, তাদের পুরস্কৃত করা হয়েছে। এই শিক্ষার্থীদের ৬৫ ভাগই নারী। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে আইইউবি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ বছর পুরস্কারের জন্য পাঁচটি মেধা তালিকা অনুসরণ করা হয়েছে। পরপর তিন সেমিস্টার ৩ দশমিক ৮৬ বা এর বেশি সিজিপিএ থাকলে, ভাইস চ্যান্সেলরস অনার লিস্টে নাম ওঠে। পরপর তিন সেমিস্টারে অন্তত ৩ দশমিক ৫ সিজিপিএ থাকলে নাম ওঠে ভাইস চ্যান্সেলরস লিস্টে। ডিনস মেরিট লিস্টে নাম আসে তাদের, যারা পরপর দুই সেমিস্টার ৩ দশমিক ৫ সিজিপিএ ধরে রাখতে পারেন। আর যেকোনও এক সেমিস্টারে ৩ দশমিক ৫ এর ওপরে সিজিপিএ থাকলে নাম ওঠে ডিনস লিস্টে।
এবার পুরস্কার পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৬৫ শতাংশই ছিলেন নারী। একজন শিক্ষার্থী একাধিক মেধা তালিকায় জায়গা পেতে পারেন। এই তালিকাগুলোয় যাদের নাম ওঠে, তাদের সবাইকে সনদ দেওয়া হয়। পাশাপাশি ভাইস চ্যান্সেলরস অনার লিস্ট এবং ডিনস অনার লিস্টে যারা স্থান পান তাদের যথাক্রমে ১০ হাজার এবং ৫ হাজার টাকা নগদ পুরস্কার দেওয়া হয়ে থাকে।
অটাম-২০২৪ সেমিস্টারে মোট ১ হাজার ৩১০ জন শিক্ষার্থী বিভিন্ন মেধা তালিকায় স্থান পেয়েছেন; যা মোট শিক্ষার্থীর ১২ শতাংশ। সামার-২০২৪ সেমিস্টারে এই সংখ্যাটি ছিল ১ হাজার ১০৯ (১১ শতংশ) এবং স্প্রিং ২০২৪ সেমিস্টারে ৯৭৪ (১০ শতাংশ)। ফলে টানা তিন সেমিস্টার ধরে পুরস্কার পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা এবং শতকরা হার উভয় ক্ষেত্রেই নিয়মিত প্রবৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে।
বৃহস্পতিবার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন– আইইউবির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান দিদার এ হোসেইন, ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য তওহীদ সামাদ, উপাচার্য অধ্যাপক ম. তামিম, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড্যানিয়েল ডব্লিউ লুন্ড এবং রেজিস্ট্রার আসিফ পারভেজ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন– ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য ইসমাইল দোভাষ ও ড. হোসনে আরা আলি, কোষাধ্যক্ষ খন্দকার মো. ইফতেখার হায়দার, বিভিন্ন স্কুলে ডিন, বিভাগীয় প্রধান ও শিক্ষকরা।
রিপোর্টারের নাম 

























