মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০৪:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

গহিন পাহাড়ে ফিরছে শিক্ষার আলো: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উদ্যোগে পুনর্নির্মিত হচ্ছে বিধ্বস্ত বিদ্যালয়

বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় অবস্থিত সাকহ্লানপাড়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আবারও শুরু হতে যাচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম। ২০২৬ সালের বর্তমান নির্বাচিত সরকারের বিশেষ উদ্যোগে জুলাই মাসের ভারী বর্ষণে বিধ্বস্ত হওয়া এই বিদ্যালয়টি নতুন করে প্রাণ ফিরে পাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কার্যালয়ের সরাসরি নির্দেশনায় ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত হচ্ছে এর নতুন ভবন।

জানা গেছে, ২০২২ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যালয়টি দুর্গম এলাকার অর্ধশতাধিক শিশুর শিক্ষার একমাত্র আশ্রয়স্থল। অতিবৃষ্টিতে ভবনটি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় শিশুদের পড়াশোনা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। বিষয়টি স্থানীয় প্রতিনিধিদের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী মো. সাইয়েদ আবদুল্লাহর নজরে আনা হলে তিনি দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।

আলীকদম উপজেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে বর্তমানে নির্মাণ কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে এবং চলতি মাসেই তা শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। সরকারের এই ত্বরিত পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় পাহাড়িরা। তারা বলছেন, বর্তমান সরকারের শিক্ষা-বান্ধব নীতির কারণেই এত দ্রুত দুর্গম এলাকায় শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। ভবনটি চালু হলে পাহাড়ের ঢালে আবারও মুখর হবে শিক্ষার্থীদের কোলাহল।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন নিয়োগে দলীয়করণ: বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ

গহিন পাহাড়ে ফিরছে শিক্ষার আলো: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উদ্যোগে পুনর্নির্মিত হচ্ছে বিধ্বস্ত বিদ্যালয়

আপডেট সময় : ০৩:১২:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় অবস্থিত সাকহ্লানপাড়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আবারও শুরু হতে যাচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম। ২০২৬ সালের বর্তমান নির্বাচিত সরকারের বিশেষ উদ্যোগে জুলাই মাসের ভারী বর্ষণে বিধ্বস্ত হওয়া এই বিদ্যালয়টি নতুন করে প্রাণ ফিরে পাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কার্যালয়ের সরাসরি নির্দেশনায় ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত হচ্ছে এর নতুন ভবন।

জানা গেছে, ২০২২ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যালয়টি দুর্গম এলাকার অর্ধশতাধিক শিশুর শিক্ষার একমাত্র আশ্রয়স্থল। অতিবৃষ্টিতে ভবনটি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় শিশুদের পড়াশোনা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। বিষয়টি স্থানীয় প্রতিনিধিদের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী মো. সাইয়েদ আবদুল্লাহর নজরে আনা হলে তিনি দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।

আলীকদম উপজেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে বর্তমানে নির্মাণ কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে এবং চলতি মাসেই তা শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। সরকারের এই ত্বরিত পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় পাহাড়িরা। তারা বলছেন, বর্তমান সরকারের শিক্ষা-বান্ধব নীতির কারণেই এত দ্রুত দুর্গম এলাকায় শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। ভবনটি চালু হলে পাহাড়ের ঢালে আবারও মুখর হবে শিক্ষার্থীদের কোলাহল।