মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ১২:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

মতলব উত্তরে তীব্র লোডশেডিংয়ের ভোগান্তি, ‘ভূতুড়ে’ বিদ্যুৎ বিলে দিশেহারা গ্রাহক

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় তীব্র লোডশেডিংয়ের পাশাপাশি অস্বাভাবিক ও কাল্পনিক বিদ্যুৎ বিলের কারণে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। একদিকে প্রচণ্ড গরমে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ থাকছে না, অন্যদিকে মাস শেষে গ্রাহকদের হাতে ধরিয়ে দেওয়া হচ্ছে আকাশচুম্বী বিল। এতে স্থানীয় গ্রাহকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।

ভুক্তভোগী গ্রাহকদের অভিযোগ, কোনো ধরনের মিটার রিডিং ছাড়াই বিদ্যুৎ অফিসের কর্মীরা মনগড়া বিল তৈরি করছেন। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, আগের মাসের তুলনায় বিলের পরিমাণ দ্বিগুণ বা তিনগুণ বেড়ে গেছে। উপজেলার ইসলামাবাদ ও সুজাতপুর গ্রামের বাসিন্দারা জানান, তীব্র গরমে বিদ্যুৎ না পেয়ে জনজীবন অতিষ্ঠ, এর ওপর এই ‘ভূতুড়ে’ বিলের বোঝা তাদের জন্য মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির স্থানীয় কর্মকর্তারা চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ বরাদ্দ কম থাকায় লোডশেডিংয়ের কথা স্বীকার করলেও, অতিরিক্ত বিলের বিষয়টি নিয়ে কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। তবে গ্রাহকদের দাবি, দ্রুত এই অনিয়ম বন্ধ করে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে এবং হয়রানিমূলক অতিরিক্ত বিলের বোঝা থেকে তাদের মুক্তি দিতে হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

Koko Bet Casino: Meesteren van Korte, Hoog‑Intensieve Spelsessies

মতলব উত্তরে তীব্র লোডশেডিংয়ের ভোগান্তি, ‘ভূতুড়ে’ বিদ্যুৎ বিলে দিশেহারা গ্রাহক

আপডেট সময় : ১০:৫৪:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় তীব্র লোডশেডিংয়ের পাশাপাশি অস্বাভাবিক ও কাল্পনিক বিদ্যুৎ বিলের কারণে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। একদিকে প্রচণ্ড গরমে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ থাকছে না, অন্যদিকে মাস শেষে গ্রাহকদের হাতে ধরিয়ে দেওয়া হচ্ছে আকাশচুম্বী বিল। এতে স্থানীয় গ্রাহকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।

ভুক্তভোগী গ্রাহকদের অভিযোগ, কোনো ধরনের মিটার রিডিং ছাড়াই বিদ্যুৎ অফিসের কর্মীরা মনগড়া বিল তৈরি করছেন। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, আগের মাসের তুলনায় বিলের পরিমাণ দ্বিগুণ বা তিনগুণ বেড়ে গেছে। উপজেলার ইসলামাবাদ ও সুজাতপুর গ্রামের বাসিন্দারা জানান, তীব্র গরমে বিদ্যুৎ না পেয়ে জনজীবন অতিষ্ঠ, এর ওপর এই ‘ভূতুড়ে’ বিলের বোঝা তাদের জন্য মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির স্থানীয় কর্মকর্তারা চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ বরাদ্দ কম থাকায় লোডশেডিংয়ের কথা স্বীকার করলেও, অতিরিক্ত বিলের বিষয়টি নিয়ে কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। তবে গ্রাহকদের দাবি, দ্রুত এই অনিয়ম বন্ধ করে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে এবং হয়রানিমূলক অতিরিক্ত বিলের বোঝা থেকে তাদের মুক্তি দিতে হবে।