প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলকে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের কেন্দ্রে নিয়ে আসার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে। এর অংশ হিসেবে খুলনার দাকোপ উপজেলার পানখালী গ্রামকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘এসডিজি ভিলেজ’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। সোমবার রাজধানীর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।
এই পাইলট প্রকল্পের আওতায় দেশের তিনটি গ্রামকে নির্বাচন করা হয়েছে, যেখানে এসডিজির স্থানীয় বাস্তবায়নকে জোরদার করা হবে। পানখালী গ্রাম ছাড়াও রাঙামাটির কাপ্তাইয়ের মিটিংগাছড়ি এবং দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার নাফানগর গ্রাম এই বিশেষ প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত। এই উদ্যোগের মাধ্যমে গ্রামগুলোর জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন, পরিবেশ সুরক্ষা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি টেকসই পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পানখালীর স্থানীয় প্রতিনিধিরা প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান এবং এই উদ্যোগের মাধ্যমে গ্রামের অপার সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তারা উল্লেখ করেন যে, টেকসই উন্নয়ন কেবল অবকাঠামো নির্মাণ নয়, বরং মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও পরিবেশের সুরক্ষার সঙ্গেও গভীরভাবে জড়িত। প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, এই প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে পেশাদারিত্ব, জবাবদিহিতা এবং সমন্বয়ের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান শফিকুল আলম মনা পানখালীর দীর্ঘদিনের অবহেলিত চিত্র তুলে ধরে বলেন, গ্রামটিকে এসডিজি ভিলেজ হিসেবে নির্বাচন করা একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। তিনি নদী ভাঙনের মতো স্থানীয় সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর জোর দেন, যা গ্রামের মানুষের নিরাপত্তা ও জীবনযাত্রাকে প্রভাবিত করে। সুন্দরবনের সঙ্গে পানখালীর মানুষের জীবন-জীবিকার নিবিড় সম্পর্কের বিষয়টিও আলোচনায় উঠে আসে।
রিপোর্টারের নাম 



















