মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ১০:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬

সীতাকুণ্ড মহাসড়কে নকশা ত্রুটি ও অবৈধ ইউ-টার্ন: চরম ঝুঁকিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুট

দেশের অর্থনীতির ধমনী হিসেবে পরিচিত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ড অংশে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের অপরিকল্পিত উন্নয়ন ও নকশাগত ত্রুটির কারণে ভয়াবহ ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। চার লেন প্রকল্পের আওতায় নির্মিত এই অংশে অব্যবস্থাপনা, নিরাপত্তা সংকট এবং রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন যাত্রী ও চালকরা। নির্মাণের ১৬ বছর পেরিয়ে গেলেও নামার বাজার আন্ডারপাসের জনদুর্ভোগ লাঘব হয়নি। উল্টো প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ সরকারি নথিপত্র খুঁজে না পাওয়ার তথ্য সামনে আসায় প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, ২০১০ সালে বিগত সরকারের আমলে চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সিনোহাইড্রো কর্পোরেশনের মাধ্যমে সীতাকুণ্ড বাইপাস ও আন্ডারপাস নির্মাণ করা হয়। বর্তমানে সেই প্রকল্পের মূল নকশা ও কারিগরি বিবরণী সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাওয়া যাচ্ছে না। প্রকৌশলীদের মতে, ভবিষ্যৎ সংস্কার বা কাঠামোগত মূল্যায়নের জন্য এসব নথি অপরিহার্য। নথিপত্র গায়েব হওয়াকে বিগত আমলের প্রশাসনিক জবাবদিহিতার অভাব হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, আন্ডারপাসটি নির্মাণের সময় সীতাকুণ্ডের শিল্পায়ন ও ক্রমবর্ধমান যানবাহনের চাপের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হয়নি। উচ্চতা কম হওয়ায় ফায়ার সার্ভিসের ভারী উদ্ধারযান এখান দিয়ে চলাচল করতে পারে না। ফলে বড় কোনো অগ্নিকাণ্ড বা দুর্যোগে দ্রুত উদ্ধারকাজ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া মহাসড়কের ডিভাইডার কেটে তৈরি করা শতাধিক অবৈধ ইউ-টার্ন এই পথকে মৃত্যুফাঁদে পরিণত করেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নাটোরে মন্ত্রীর পথসভায় যুবকের কাছে পাওয়া পিস্তলটি আসলে খেলনা: পুলিশ

সীতাকুণ্ড মহাসড়কে নকশা ত্রুটি ও অবৈধ ইউ-টার্ন: চরম ঝুঁকিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুট

আপডেট সময় : ০৯:৩২:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬

দেশের অর্থনীতির ধমনী হিসেবে পরিচিত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ড অংশে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের অপরিকল্পিত উন্নয়ন ও নকশাগত ত্রুটির কারণে ভয়াবহ ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। চার লেন প্রকল্পের আওতায় নির্মিত এই অংশে অব্যবস্থাপনা, নিরাপত্তা সংকট এবং রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন যাত্রী ও চালকরা। নির্মাণের ১৬ বছর পেরিয়ে গেলেও নামার বাজার আন্ডারপাসের জনদুর্ভোগ লাঘব হয়নি। উল্টো প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ সরকারি নথিপত্র খুঁজে না পাওয়ার তথ্য সামনে আসায় প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, ২০১০ সালে বিগত সরকারের আমলে চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সিনোহাইড্রো কর্পোরেশনের মাধ্যমে সীতাকুণ্ড বাইপাস ও আন্ডারপাস নির্মাণ করা হয়। বর্তমানে সেই প্রকল্পের মূল নকশা ও কারিগরি বিবরণী সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাওয়া যাচ্ছে না। প্রকৌশলীদের মতে, ভবিষ্যৎ সংস্কার বা কাঠামোগত মূল্যায়নের জন্য এসব নথি অপরিহার্য। নথিপত্র গায়েব হওয়াকে বিগত আমলের প্রশাসনিক জবাবদিহিতার অভাব হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, আন্ডারপাসটি নির্মাণের সময় সীতাকুণ্ডের শিল্পায়ন ও ক্রমবর্ধমান যানবাহনের চাপের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হয়নি। উচ্চতা কম হওয়ায় ফায়ার সার্ভিসের ভারী উদ্ধারযান এখান দিয়ে চলাচল করতে পারে না। ফলে বড় কোনো অগ্নিকাণ্ড বা দুর্যোগে দ্রুত উদ্ধারকাজ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া মহাসড়কের ডিভাইডার কেটে তৈরি করা শতাধিক অবৈধ ইউ-টার্ন এই পথকে মৃত্যুফাঁদে পরিণত করেছে।