দেশের প্রধান প্রবেশদ্বার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় থেকে ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় নিয়োজিত বিমানবাহিনীর সদস্যদের পর্যায়ক্রমে সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। প্রথম ধাপে প্রায় অর্ধেক সদস্যকে প্রত্যাহার করে বিমানবন্দরের সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব বেসামরিক সংস্থাগুলোর হাতে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত জাতীয় বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, বিমানবাহিনীর সদস্য সংখ্যা কমানোর পাশাপাশি বেবিচকের নিজস্ব এভিয়েশন সিকিউরিটি (এভসেক) এবং এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি করা হবে। স্বাভাবিক সময়ে বিমানবন্দরের দৈনন্দিন নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণের নেতৃত্বে থাকবে বেসামরিক সংস্থাগুলোই।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম জানিয়েছেন, সব সংস্থার মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি এবং ভারসাম্য বজায় রাখতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দীর্ঘমেয়াদে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক দায়িত্ব বিশেষায়িত বেসামরিক ইউনিটের হাতে থাকাই বাঞ্ছনীয়, যা আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ও জবাবদিহি নিশ্চিত করবে। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরবর্তী উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিমানবন্দরের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিয়েছিল বিমানবাহিনী।
রিপোর্টারের নাম 






















