বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব এক দশক ধরে বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার অনুপ্রবেশের শিকার হচ্ছে, যা দেশের নিরাপত্তা ও কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনের জন্য বড় হুমকি বলে মনে করছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষক ও সাবেক কর্মকর্তারা। এই প্রভাব বিস্তারের প্রধান কারিগর হিসেবে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইংকে (RAW) সন্দেহ করা হচ্ছে। ‘মৈত্রী’ ও ‘আঞ্চলিক সহযোগিতা’র আড়ালে এই সম্পর্ক জাতীয় নিরাপত্তা, অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা ও স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।
অভিযোগ রয়েছে, প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা খাতের বিভিন্ন সংস্থায়, যেমন সেনাবাহিনী, পুলিশ, র্যাব, বিজিবি এবং কোস্ট গার্ডের তথ্যপ্রযুক্তি অবকাঠামো আধুনিকীকরণের সময় ভারতীয় প্রতিষ্ঠানগুলো সরবরাহকারী ও প্রযুক্তিগত পরামর্শক হিসেবে যুক্ত হয়েছে। কিছু চুক্তি বৈধ হলেও, নিরাপত্তা মহলে উদ্বেগ রয়েছে যে এসব ব্যবস্থার সংবেদনশীল কনফিগারেশন, সফটওয়্যার কোড ও হার্ডওয়্যারে এমন দুর্বলতা থাকতে পারে যা বহিরাগত নজরদারির সুযোগ তৈরি করে। সামরিক যোগাযোগ ব্যবস্থা, ডিজিটাল ম্যাপিং, জিপিএস ট্র্যাকিং সিস্টেম এবং নজরদারি ড্রোন প্রোগ্রামের মতো সংবেদনশীল খাতগুলো বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসবের আংশিক সত্যতাও যদি প্রমাণিত হয়, তবে তা কোনো বহিরাগত পক্ষকে সেনা চলাচল, অপারেশন পরিকল্পনা ও সীমান্ত নজরদারি সম্পর্কে তথ্য দিতে পারে।
দ্বিতীয় উদ্বেগের ক্ষেত্র হলো টেলিকম ও সাইবার নিরাপত্তা। এই ধরনের নির্ভরতা, উদ্দেশ্য যাই হোক না কেন, যেকোনো সার্বভৌম রাষ্ট্রের জন্য একটি বৈধ ঝুঁকি তৈরি করে, যা পুঙ্খানুপুঙ্খ নিরীক্ষার দাবি রাখে।
রিপোর্টারের নাম 






















