মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ১১:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬

তনু হত্যা মামলার আসামির জামিনে মুক্তি: বিচার পাওয়া নিয়ে মায়ের চরম সংশয়

কুমিল্লার ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের মেধাবী শিক্ষার্থী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলার অন্যতম আসামি সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমান উচ্চ আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। এই ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন তনুর মা আনোয়ারা বেগম। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, বিচারের আগেই যদি আসামিরা এভাবে মুক্তি পায়, তবে সাধারণ মানুষ কোথায় বিচার পাবে?

পিবিআই গত ২১ এপ্রিল ডিএনএ রিপোর্টের সূত্র ধরে হাফিজুর রহমানকে গ্রেপ্তার করেছিল। কুমিল্লা কারাগারের জেলার জাহিদুল আলম জানান, উচ্চ আদালতের জামিন আদেশ পাওয়ার পর আইনি প্রক্রিয়া শেষে বুধবার সন্ধ্যায় তাকে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। ১০ নম্বর সেলে বন্দি থাকা এই আসামির মুক্তি পাওয়ার খবরে নিহতের পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।

উল্লেখ্য, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০১৬ সালের ২০ মার্চ কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকার পাওয়ার হাউস সংলগ্ন একটি ঝোপ থেকে তনুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। দীর্ঘ ১০ বছর পেরিয়ে গেলেও এই চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের বিচার এখনো শেষ হয়নি। তনুর মা বর্তমান সরকারের কাছে ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়ে বলেন, দীর্ঘ এক দশক ধরে তারা বিচারের আশায় পথ চেয়ে আছেন, কিন্তু বারবার আসামিদের মুক্তি পাওয়ার ঘটনা তাদের বিচার পাওয়া নিয়ে শঙ্কিত করে তুলছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গুম প্রতিরোধ আইন, ২০২৬: ‘অধিকারের’ গভীর উদ্বেগ, সংশোধনের দাবি

তনু হত্যা মামলার আসামির জামিনে মুক্তি: বিচার পাওয়া নিয়ে মায়ের চরম সংশয়

আপডেট সময় : ০৯:৪৪:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

কুমিল্লার ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের মেধাবী শিক্ষার্থী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলার অন্যতম আসামি সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমান উচ্চ আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। এই ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন তনুর মা আনোয়ারা বেগম। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, বিচারের আগেই যদি আসামিরা এভাবে মুক্তি পায়, তবে সাধারণ মানুষ কোথায় বিচার পাবে?

পিবিআই গত ২১ এপ্রিল ডিএনএ রিপোর্টের সূত্র ধরে হাফিজুর রহমানকে গ্রেপ্তার করেছিল। কুমিল্লা কারাগারের জেলার জাহিদুল আলম জানান, উচ্চ আদালতের জামিন আদেশ পাওয়ার পর আইনি প্রক্রিয়া শেষে বুধবার সন্ধ্যায় তাকে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। ১০ নম্বর সেলে বন্দি থাকা এই আসামির মুক্তি পাওয়ার খবরে নিহতের পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।

উল্লেখ্য, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০১৬ সালের ২০ মার্চ কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকার পাওয়ার হাউস সংলগ্ন একটি ঝোপ থেকে তনুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। দীর্ঘ ১০ বছর পেরিয়ে গেলেও এই চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের বিচার এখনো শেষ হয়নি। তনুর মা বর্তমান সরকারের কাছে ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়ে বলেন, দীর্ঘ এক দশক ধরে তারা বিচারের আশায় পথ চেয়ে আছেন, কিন্তু বারবার আসামিদের মুক্তি পাওয়ার ঘটনা তাদের বিচার পাওয়া নিয়ে শঙ্কিত করে তুলছে।