বাংলাদেশের প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত, বস্ত্র ও তৈরি পোশাক শিল্পকে বিশ্বমঞ্চে আরও শক্তিশালী, উদ্ভাবনী ও পরিবেশবান্ধব রূপে উপস্থাপনের লক্ষ্যে এক ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ) এবং বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)। দেশের ১০০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এই উদ্যোগকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এই লক্ষ্য পূরণে, একটি আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ইভেন্ট অর্গানাইজারের সহযোগিতায় বিশ্বমানের ‘বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেল মেশিনারি এক্সিবিশন (বিটমা)’ আয়োজন করা হবে। এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হলো বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিকায়ন এবং নতুন বাজার সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশের পোশাক ও বস্ত্র খাতকে ২০২৬ সালের বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে আরও অগ্রগামী করা।
রাজধানীর গুলশান ক্লাবে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিটিএমএ সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল এবং বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এই সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানে উভয় প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ নেতৃত্ব, অফিস বেয়ারার, পরিচালনা পর্ষদের সদস্য এবং দূরদর্শী নীতি-নির্ধারকরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা অটোমেশন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং টেকসই ফ্যাশন ধারার সমন্বয়ের ওপর জোর দেন।
প্রদর্শনীর পরিচালনা, কৌশলগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ১০ সদস্যের একটি শক্তিশালী যৌথ কমিটি গঠন করা হবে, যেখানে বিটিএমএ ও বিজিএমইএর ৫ জন করে সদস্য থাকবেন। কমিটির চেয়ারম্যানশিপ প্রতি বছর দুই সংগঠনের মধ্যে পর্যায়ক্রমে আবর্তিত হবে। প্রথম বছর বিটিএমএ থেকে চেয়ারম্যান এবং বিজিএমইএ থেকে কো-চেয়ারম্যান মনোনীত হবেন। বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, বিশ্বজুড়ে পোশাকশিল্পে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং গ্রিন টেকনোলজির যে বিপ্লব ঘটছে, বাংলাদেশকে তার অগ্রভাগে রাখাই আমাদের মূল লক্ষ্য।
রিপোর্টারের নাম 




















