মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০২:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬

ইউএনওর নাম ভাঙিয়ে টাকা দাবির কল রেকর্ড ভাইরাল: বাহুবলের এএসআই ক্লোজড

হবিগঞ্জের বাহুবলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) নাম ভাঙিয়ে টাকা দাবির অভিযোগে পুটিজুরী ইউনিয়ন বিটের কর্মকর্তা এএসআই আব্দুল মোতালেবকে ক্লোজ করা হয়েছে। জনৈক সাংবাদিকের সঙ্গে এই পুলিশ কর্মকর্তার কথোপকথনের একটি কল রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার রাতে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তাকে হবিগঞ্জ পুলিশ লাইনে ক্লোজ করেছেন বলে বাহুবল মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ রুহুল আমিন তালুকদার নিশ্চিত করেছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এএসআই মোতালেব বাহুবল মডেল থানার অধীনে পুটিজুরী বিট কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। গত ১ আগস্ট শুক্রবার বিকেলে তিনি পুটিজুরী ইউনিয়নের মিরেরপাড়া এলাকায় বালু উত্তোলনের স্থান পরিদর্শন করতে গিয়ে কাউকে পাননি। পরে তিনি ফিরে আসেন।

পরবর্তীতে, একজন সাংবাদিক ছদ্মবেশে তাকে ফোন করলে এএসআই মোতালেব সরাসরি দেখা করে বিষয়টি ‘সমাধান’ করার প্রস্তাব দেন। যখন ফোনদাতা সরাসরি দেখা করতে অপারগতা প্রকাশ করেন, তখন তিনি বিকাশের মাধ্যমে টাকা পাঠানোর জন্য বলেন এবং পরদিন সাক্ষাৎ করে বিষয়টি মীমাংসার তাগিদ দেন। এই ঘটনার অডিও কল রেকর্ড সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা ভাইরাল হয় এবং স্থানীয়ভাবে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে।

এ ব্যাপারে জানতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে এএসআই মোতালেব বলেন, ‘একজন সাংবাদিক আমাকে ফোন দিয়েছিল, আমি তাকে চিনি না।’ কলার বিকাশে কীসের টাকা দিতে চেয়েছিলেন, এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘জানি না।’

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে এগোলো টার্কিশ পেট্রোলিয়াম, দরপত্র কিনেছে ৫ বিদেশি সংস্থাও

ইউএনওর নাম ভাঙিয়ে টাকা দাবির কল রেকর্ড ভাইরাল: বাহুবলের এএসআই ক্লোজড

আপডেট সময় : ১২:০১:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

হবিগঞ্জের বাহুবলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) নাম ভাঙিয়ে টাকা দাবির অভিযোগে পুটিজুরী ইউনিয়ন বিটের কর্মকর্তা এএসআই আব্দুল মোতালেবকে ক্লোজ করা হয়েছে। জনৈক সাংবাদিকের সঙ্গে এই পুলিশ কর্মকর্তার কথোপকথনের একটি কল রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার রাতে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তাকে হবিগঞ্জ পুলিশ লাইনে ক্লোজ করেছেন বলে বাহুবল মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ রুহুল আমিন তালুকদার নিশ্চিত করেছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এএসআই মোতালেব বাহুবল মডেল থানার অধীনে পুটিজুরী বিট কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। গত ১ আগস্ট শুক্রবার বিকেলে তিনি পুটিজুরী ইউনিয়নের মিরেরপাড়া এলাকায় বালু উত্তোলনের স্থান পরিদর্শন করতে গিয়ে কাউকে পাননি। পরে তিনি ফিরে আসেন।

পরবর্তীতে, একজন সাংবাদিক ছদ্মবেশে তাকে ফোন করলে এএসআই মোতালেব সরাসরি দেখা করে বিষয়টি ‘সমাধান’ করার প্রস্তাব দেন। যখন ফোনদাতা সরাসরি দেখা করতে অপারগতা প্রকাশ করেন, তখন তিনি বিকাশের মাধ্যমে টাকা পাঠানোর জন্য বলেন এবং পরদিন সাক্ষাৎ করে বিষয়টি মীমাংসার তাগিদ দেন। এই ঘটনার অডিও কল রেকর্ড সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা ভাইরাল হয় এবং স্থানীয়ভাবে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে।

এ ব্যাপারে জানতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে এএসআই মোতালেব বলেন, ‘একজন সাংবাদিক আমাকে ফোন দিয়েছিল, আমি তাকে চিনি না।’ কলার বিকাশে কীসের টাকা দিতে চেয়েছিলেন, এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘জানি না।’