যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পরোক্ষ কূটনৈতিক আলোচনার নতুন এক উদ্যোগ বাস্তবায়নের পথে। এই আলোচনায় অংশ নিতে মধ্যস্থতাকারীরা এখন ইরানের রাজধানী তেহরানে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবস্থানে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের পর এই সমঝোতার পথ সুগম হয়েছে।
পূর্বে ইরানের অবকাঠামোতে সর্বাত্মক সামরিক হামলার হুমকি দিলেও, ডোনাল্ড ট্রাম্প হঠাৎ করে অবস্থান পরিবর্তন করে জানান যে উভয় পক্ষ একটি চুক্তির খুব কাছাকাছি রয়েছে। ট্রাম্পের এই ঘোষণার পরপরই আঞ্চলিক পর্যায়ে জোর কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সম্প্রতি পাকিস্তানের সেনাপ্রধান, সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং ইরাকের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক ও ফোনালাপ সম্পন্ন করেছেন। এই যোগাযোগের পর থেকে পরিস্থিতি দ্রুত ইতিবাচক দিকে মোড় নিতে শুরু করে।
কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিনিধি ওসামা বিন জাভেদ জানিয়েছেন, তেহরানে একটি নতুন পরোক্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। গত কয়েক দিনে ইরান ও ওমানের মধ্যে হওয়া আলোচনার ভিত্তিতেই মূলত এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
যদিও চূড়ান্ত চুক্তির শর্তাবলি নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যেকার দূরত্ব এখনো বিদ্যমান। উভয় পক্ষ মূল বিষয়গুলোতে এখনো বিপরীত মেরুতে অবস্থান করছে। তা সত্ত্বেও, তেহরানের বক্তব্যে ইতিবাচক বার্তা পাওয়া গেছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এবং ইরান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানিয়েছেন, আলোচনা প্রক্রিয়ায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হচ্ছে এবং তারা একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর বিষয়ে বেশ আশাবাদী।
তবে প্রস্তাবিত এই চুক্তির সুনির্দিষ্ট রূপরেখা বা শর্তাবলি এখনো প্রকাশ করা হয়নি। কে কী ধরনের ছাড় দেবে বা পুরো প্রক্রিয়ার ধরন কেমন হবে, সে বিষয়গুলো আপাতত গোপন রাখা হয়েছে। বিস্তারিত জানা না গেলেও, এটি স্পষ্ট যে দুই দেশের মধ্যে একটি সমঝোতা বাস্তবায়নের কাজ বেশ জোরেসোরেই এগোচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 























