যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য যেকোনো সামরিক হামলার বিরুদ্ধে এবার আরো কঠোর ও বিস্তৃত হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটি জানিয়েছে, কোনো ধরনের আক্রমণ হলে তাদের জবাব কেবল পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বিশ্বের যেখানেই শত্রুর ঘাঁটি বা হামলার উৎস থাকবে, সেখানেই পাল্টা আঘাত হানা হবে।
ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক কমিশনের সদস্য এবং প্রভাবশালী সংসদ সদস্য ইবরাহিম রেজাই সামাজিক মাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় এই কড়া বার্তা দেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, ‘সম্ভাব্য শত্রুভাবাপন্ন যেকোনো হামলার বিরুদ্ধে আমাদের প্রতিক্রিয়া কেবল পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। হামলা যেখান থেকেই চালানো হোক না কেন, শত্রুর সমস্ত ঘাঁটি ও উৎসে আমরা কঠোরতম জবাব দেব।’
এর আগে ইরানের শীর্ষ রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্ব আগেই সতর্ক করে দিয়েছিল—দেশটির শক্তি বা জ্বালানি অবকাঠামোতে আঘাত হানা হলে পারস্য উপসাগরজুড়ে বিস্তৃত তেল ও গ্যাস কেন্দ্রগুলোতেও পাল্টা হামলা চালানো হবে। রেজাই উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্র হয়তো ভাবছে বৈশ্বিক বাজার বন্ধ থাকার দুই দিনের মধ্যে ইরানকে ‘দ্রুত ও ধ্বংসাত্মক আঘাত’ হেনে ‘আত্মসমর্পণে’ বাধ্য করা সম্ভব। এই ভাবনাকে তিনি অলীক কল্পনা হিসেবে অভিহিত করে বলেন, ‘গত সপ্তাহে ওয়াশিংটন সফরে গিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কানে এই বোকা ধারণার মন্ত্র ফুঁকে দিয়েছেন ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।’
যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে শেষ বার্তায় ইরানি এই কর্মকর্তা বলেন, ‘ইরানের ওপর সামান্যতম আঘাত করা হলেও আমরা পুরো অঞ্চল এবং তার সমস্ত অবকাঠামোকে প্রস্তর যুগে ফেরত পাঠাব। কাজেই কোনো ধরনের বোকামি না করাই আপনাদের জন্য সবচেয়ে মঙ্গলজনক হবে।’
রিপোর্টারের নাম 





















