সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫’ এর চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের যোগদান সংক্রান্ত তারিখ নিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুটি ভিন্ন বিজ্ঞপ্তিতে অসামঞ্জস্য দেখা দিয়েছে, যা নিয়োগপ্রত্যাশীদের মধ্যে নতুন করে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিদ্যালয়-২ শাখার এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নির্বাচিত প্রার্থীরা আগামী ১ অক্টোবর সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগদান করবেন এবং যথাসময়ে নিয়োগপত্র ও পদায়ন ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। তবে, এর একদিন আগে, শনিবার সন্ধ্যায় মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক জরুরি ভার্চুয়াল সভায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব মো. সাখাওয়াৎ হোসেন জানিয়েছিলেন, তদন্ত ও প্রক্রিয়াগত দীর্ঘসূত্রতায় বিলম্বিত হওয়া এই যোগদান প্রক্রিয়া শুরু হবে আগামী ২৯ অক্টোবর। মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আসিফ আহমেদের স্বাক্ষরে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন সহকারী শিক্ষক ২৯ অক্টোবর যোগদানের পর পদায়ন ও পেশাগত প্রশিক্ষণ নেবেন বলে জানানো হয়েছিল।
এই টানাপড়েনের মধ্যেই রোববার রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকেরা। নিয়োগ বিধিমালা-২০২৫ অনুযায়ী দ্রুত যোগদান ও বিদ্যালয়ে পদায়নের দাবিতে তারা এই কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন। পুলিশ তাদের শাহবাগের গোলচত্বরে পৌঁছাতে বাধা দেওয়ায় জাতীয় জাদুঘরের সামনেই অবস্থান করছেন পাঁচ শতাধিক শিক্ষক।
শনিবার সন্ধ্যায় এক বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষকেরা জানান, নিয়োগ বিধিমালা মেনে চলতি আগস্ট মাসের মধ্যেই তাদের যোগদান ও পদায়ন নিশ্চিত করতে হবে এবং সুনির্দিষ্ট তারিখসহ লিখিত প্রজ্ঞাপন সরকারি ওয়েবসাইটে জারি করতে হবে। তারা কোনো মৌখিক আশ্বাস বা সংবাদমাধ্যমের বিবৃতি বিশ্বাস করছেন না এবং দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত ৮ ফেব্রুয়ারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফল প্রকাশিত হয়, যেখানে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থী নির্বাচিত হন। এরপর থেকেই যোগদান বিলম্বিত হওয়ায় নিয়োগপ্রত্যাশীরা এপ্রিল মাস থেকে একাধিকবার শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে আসছেন।
রিপোর্টারের নাম 



















