মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০২:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬

মার্কিন হামলার চাপেই ইরান আলোচনায় আগ্রহী: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও দাবি করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত সামরিক হামলার কারণেই ইরান পারমাণবিক কর্মসূচি এবং হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে আলোচনায় বসতে এখন অনেক বেশি আগ্রহী। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘ফক্স নিউজ’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই মন্তব্য করেন।

রুবিও বলেন, মার্কিন হামলায় ইরানের নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, লঞ্চার এবং অস্ত্র তৈরির কারখানাগুলো পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে, ফলে দেশটির সার্বিক প্রতিরক্ষা সক্ষমতা ‘চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত’ হয়েছে। তিনি আরও বলেন, যদিও ইরানের কাছে এখনো কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন রয়েছে এবং তারা তা দিয়ে কিছুটা ক্ষতি করার সামর্থ্য রাখে, তবে ইরান এতদিন যে ‘প্রথাগত সামরিক ঢাল’ ব্যবহার করে আড়ালে থাকত, তা এখন আর তাদের কাছে নেই।

পররাষ্ট্র��ন্ত্রীর মতে, এই পরিস্থিতির পরিবর্তন পুরো সংঘাতের গতিপথ বদলে দিয়েছে। তিনি বলেন, ‘কেবল এই সামরিক আঘাতের কারণেই তারা এখন পারমাণবিক ও গুরুত্বপূর্ণ প্রণালিগুলোর ইস্যুতে চুক্তি করতে ইচ্ছুক, এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে তারা বেশ ব্যাকুল বলেই মনে হচ্ছে। কারণ, যুক্তরাষ্ট্র এখন কোনো দুর্বল অবস্থান থেকে নয়, বরং শক্তিশালী অবস্থান থেকে তাদের সঙ্গে আলোচনার টেবিলে এগোচ্ছে।’

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুতা-মোজা থাকবে দুর্গন্ধমুক্ত: রইলো কার্যকর টিপস

মার্কিন হামলার চাপেই ইরান আলোচনায় আগ্রহী: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১১:৩৮:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও দাবি করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত সামরিক হামলার কারণেই ইরান পারমাণবিক কর্মসূচি এবং হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে আলোচনায় বসতে এখন অনেক বেশি আগ্রহী। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘ফক্স নিউজ’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই মন্তব্য করেন।

রুবিও বলেন, মার্কিন হামলায় ইরানের নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, লঞ্চার এবং অস্ত্র তৈরির কারখানাগুলো পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে, ফলে দেশটির সার্বিক প্রতিরক্ষা সক্ষমতা ‘চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত’ হয়েছে। তিনি আরও বলেন, যদিও ইরানের কাছে এখনো কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন রয়েছে এবং তারা তা দিয়ে কিছুটা ক্ষতি করার সামর্থ্য রাখে, তবে ইরান এতদিন যে ‘প্রথাগত সামরিক ঢাল’ ব্যবহার করে আড়ালে থাকত, তা এখন আর তাদের কাছে নেই।

পররাষ্ট্র��ন্ত্রীর মতে, এই পরিস্থিতির পরিবর্তন পুরো সংঘাতের গতিপথ বদলে দিয়েছে। তিনি বলেন, ‘কেবল এই সামরিক আঘাতের কারণেই তারা এখন পারমাণবিক ও গুরুত্বপূর্ণ প্রণালিগুলোর ইস্যুতে চুক্তি করতে ইচ্ছুক, এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে তারা বেশ ব্যাকুল বলেই মনে হচ্ছে। কারণ, যুক্তরাষ্ট্র এখন কোনো দুর্বল অবস্থান থেকে নয়, বরং শক্তিশালী অবস্থান থেকে তাদের সঙ্গে আলোচনার টেবিলে এগোচ্ছে।’