ইরান অভিযোগ করেছে যে যুক্তরাষ্ট্র প্রকাশ্যে সামরিক সংঘাত বাড়ানোর হুমকি দিলেও আড়ালে কূটনৈতিক আলোচনার জন্য তদ্বির করছে। ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক সংসদীয় কমিটির মুখপাত্র এবং জ্যেষ্ঠ আইনপ্রণেতা হাসান গাশগাভি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিকল্পিত হামলা বাতিলের আগে এই মন্তব্য করেন।
হাসান গাশগাভি বলেন, চলমান সংঘাত যে রূপই নিক না কেন, কৌশলগত হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল কেবল তেহরানের সিদ্ধান্ত অনুযায়ীই নিয়ন্ত্রিত হবে। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিচারিতার সমালোচনা করে বলেন, ‘তারা গণমাধ্যমে সংঘাত বাড়ানোর কথা বলে, আবার বিদ্যমান গোপন চ্যানেলগুলোতে আলোচনার জন্য আকুতি জানায়। কিন্তু তারা কোনোভাবেই ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানকে ধোঁকা দিতে পারবে না। সংঘাত বাড়িয়েই হোক কিংবা আলোচনার মাধ্যমেই হোক—হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের ক্ষেত্রে ইরানের নির্ধারিত নীতিই একমাত্র বিকল্প হিসেবে বহাল থাকবে।’
অন্যদিকে, ইরান-চীন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মাজিদরেজা হারিরি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় জানান, ইরানের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ অবকাঠামোতে হামলা চালানোর মতো ‘সাহস’ ওয়াশিংটনের নেই। হারিরি লেখেন, ‘অবকাঠামো ধ্বংসের বিপরীতে টিকিয়ে রাখার ক্ষেত্রে এ অঞ্চলের যেকোনো দেশের চেয়ে ইরানের সক্ষমতা অনেক বেশি। যুক্তরাষ্ট্রের সেই দুঃসাহস নেই।’
বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানের বিদ্যুৎ ব্যবস্থা বিশ্বের অন্যতম বিকেন্দ্রীকৃত ব্যবস্থা, যেখানে দেশজুড়ে প্রায় ১৫০টি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র রয়েছে। বিশাল ও বিস্তৃত এই বিদ্যুৎ নেটওয়ার্কের কারণে বিমান হামলা চালিয়ে পুরো দেশকে একযোগে বিদ্যুৎহীন বা অন্ধকার করে দেওয়া প্রায় অসম্ভব।
রিপোর্টারের নাম 






















