সম্প্রতি বাংলাদেশ সফর করে গেছেন ভারতের বিশ্ববরেণ্য মানবাধিকারবাদী আলেম, লেখক, সম্পাদক, ইসলাম প্রচারক, শিক্ষাবিদ ও সমাজসংস্কারক আল্লামা খলিলুর রহমান সাজ্জাদ নোমানী। তিনি অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ডের মুখপাত্র, বামসেফ ও ওয়ামান মেশরামের সঙ্গে ভারতের সংখ্যালঘুদের অধিকারের জন্য বিভিন্ন সক্রিয়তাবাদী উদ্যোগের অন্যতম উদ্যোক্তা এবং উত্তরপ্রদেশের লখনৌভিত্তিক বেসরকারি সংস্থা রহমান ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা। মুসলিম মিরর তাকে বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী মুসলিমের একজন হিসেবে ঘোষণা করেছে। তিনি নকশবন্দি তরিকার একজন পণ্ডিত এবং বিখ্যাত বুজুর্গ জুলফিকার আহমদ নকশবন্দির শিষ্য। সাজ্জাদ নোমানী নিজ শহরে দারুল উলুম নাদওয়াতুল উলামা ও দারুল উলুম দেওবন্দ থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। পরে তিনি মদিনা ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করেন এবং কোরআন অধ্যয়নে ডক্টরেট সম্পন্ন করেন। তার বাবা মনজুর নোমানী ছিলেন একজন বিশিষ্ট ইসলামি পণ্ডিত, ধর্মতত্ত্ববিদ, সাংবাদিক, লেখক ও সমাজকর্মী। তার দাদা সুফি মুহাম্মদ হুসাইন ছিলেন একজন ব্যবসায়ী ও জমিদার।
সফরে আমার দেশকে দীর্ঘ সাক্ষাৎকার দিয়েছেন আল্লামা খলিলুর রহমান সাজ্জাদ নোমানী। গত সপ্তাহে রাজধানীর নিকুঞ্জের একটি রেস্ট হাউসে তার সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেন আলী হাসান তৈয়ব।
প্রশ্ন: দীর্ঘদিন পর বাংলাদেশ সফরে এসেছেন, আপনাকে স্বাগতম। কেমন দেখেছেন বাংলাদেশকে?
সাজ্জাদ নোমানী: আপনাকেও মোবারকবাদ। প্রায় ৪০ বছর আগে টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমায় বয়ান করার জন্য এসেছিলাম। দীর্ঘদিন পর আবার জীবনের পড়ন্তবেলায় আল্লাহ আপনাদের দেশে এনেছেন এজন্য আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করছি। বরাবরের মতোই এই দেশ ও দেশের মানুষকে ধর্মপ্রাণ, আন্তরিক, সহৃদয় ও ভালোবাসা পেয়েছি। অনেক বদলে গেছে দেশের পথঘাট। অনেক উন্নয়নও হয়েছে। তবে মানুষগুলো আগের মতোই হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসাময় দেখছি।
প্রশ্ন: আপনি যেমনটি বললেন, এদেশের মানুষ ধর্মপ্রাণ। মুসলিমরা এখানে সংখ্যাগুরু। তারপরও রাষ্ট্রীয় বা সামাজিক নেতৃত্বে আলেমরা নেই! সেটি হলে এদেশ ইসলামের জন্য রোল মডেল হতে পারত। এ নিয়ে আপনার মূল্যায়ন কী?
সাজ্জাদ নোমানী: দুঃখজনক হলেও সত্য, এটি উলামায়ে কিরামেরই অসফলতা। এর কারণ, আলেম ও দাঈদের সাধারণ জনগণ, বিশেষত আধুনিক শিক্ষিত তরুণদের কাছে টানার ক্ষেত্রে সফল না হওয়া। এর দায়ভার উভয় পক্ষেরই। দেখুন, আমরা মাদরাসার যে পরিবেশে বেড়ে উঠেছি, তারা (ক…
রিপোর্টারের নাম 




















